বছর
2026
রিফর্ম ডোমেইন
উপ-ডোমেইন
শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 10-Sep-26
এই প্রতিশ্রুতিটি বাংলাদেশের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারে বিএনপি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, “দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থান ও উচ্চ শিক্ষার সুযোগ তৈরিতে বাংলা-ইংরেজির পাশাপাশি আরবি, জাপানিজ, কোরিয়ান, ইতালিয়ান, ম্যান্ডারিন ইত্যাদি তৃতীয় ভাষা শিক্ষা মাধ্যমিক পর্যায় থেকে চালু করা হবে”।
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 10-Sep-26
২০২৬ সালের ৮ জুন শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০২৮ সাল থেকে বাস্তবায়নের জন্য চলমান শিক্ষাক্রম সংস্কার প্রক্রিয়ার আওতায় তৃতীয় ভাষা শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় বিদেশি ভাষা শিক্ষা প্রসারের জন্য শিক্ষক হিসেবে ১,০০০ জন বিদেশী শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। অধিকন্তু, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘Foreign Language E-Learning Centre’ এবং ‘Migration Market Research Institute’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও রয়েছে। পরবর্তীতে, ২০২৬ সালের ২৯ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা করেন যে, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে বাধ্যতামূলক ‘তৃতীয় ভাষা’ হিসেবে পাঁচটি বিদেশি ভাষা চালু করা হবে। এই পাঁচটি বিদেশী ভাষার বিকল্পের মধ্যে রয়েছে ম্যান্ডারিন (চীনা), জাপানি, ফরাসি, জার্মান এবং আরবি।
মতামত
-
প্রাপ্ত তথ্য থেকে দেখা যায়, সরকার শিক্ষাক্রম পরিকল্পনা এবং পাঁচটি বিদেশি ভাষার বিকল্প নির্ধারণসহ বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালুর প্রস্তুতি শুরু করেছে। তবে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কীভাবে চালু করা হবে, সে বিষয়ে এখনো জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত কোনো নীতিমালা, নির্দেশিকা বা শিক্ষাক্রম কাঠামো পাওয়া যায়নি।
গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউজিসি ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যমান ১০টি ভাষা প্রোগ্রাম মূল্যায়ন করা এবং ৩০টি নতুন ভাষা প্রোগ্রাম চালু করার পরিকল্পনা করেছে। তবে উল্লেখ্য, এই উদ্যোগটি স্কুল পর্যায়ে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালুর উদ্যোগ থেকে পৃথক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।