দেশে ও বিদেশে আর্থিক লেনদেনের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে বাংলাদেশকে Common Reporting Standards এর বাস্তবায়ন করতে হবে। বিস্তারিত দেখুন
বর্তমানে পরিচালিত প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের সাফল্য ও ব্যর্থতার নিরপেক্ষ মূল্যায়ন করে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় দুদককে একটি দুর্নীতি প্রতিরোধী কর্মকৌশল প্রণয়ন করতে হবে এবং তদনুযায়ী স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবেপ্রস্তাবিত দুর্নীতি প্রতিরোধী কর্মকৌশলের আওতায় যে-সকল কর্মপরিকল্পনা বিশেষভাবে বিবেচনার দাবি রাখে, তন্মধ্যে রয়েছে- • প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত সকল পর্যায়ের পাঠ্যক্রমে অবশ্যপাঠ্য হিসেবে নৈতিকতা, সততার চর্চা ও দুর্নীতিবিরোধী চেতনা বিকাশে যুগোপযোগী ও শিক্ষার্থী-বান্ধব উপাদানের অন্তর্ভুক্তি: • স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে সুশাসন ও দুর্নীতিবিরোধী কোর্স, প্রশিক্ষণ, ইন্টার্নশিপ ও ফেলোশিপ চালুকরণ: • পাঠ্যপুস্তক, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুদকের হটলাইন নম্বরের (১০৬) ব্যাপক প্রচার; • গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেইসবুক, এক্স, ইন্সটাগ্রাম) কার্যকর দুর্নীতিবিরোধী টার্গেটেড প্রচারণা ও ক্যাম্পেইন; • যে-সব আইন দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনগণকে ক্ষমতায়িত করে, ব্যাপক প্রচার ও সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ (সুরক্ষা প্রদান) আইন, ২০১১) সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা; • মানবিক গুণাবলি ও ধর্মীয় মূল্যবোধ অনুসরণে দুর্নীতিবিরোধী ও সততার চর্চার জন্য প্রচারণামূলক কর্মসূচি; • তরুণ প্রজন্মের ভাবনায় ও অংশগ্রহণে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা কার্যক্রম; • দুপ্রকের সঙ্গে দুর্নীতিবিরোধী বেসরকারি সংস্থাসমূহের অংশীদারিত্বমূলক কার্যক্রমের প্রসার; • জাতিসংঘ দুর্নীতিবিরোধী সনদের ১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোকে দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমে গণমাধ্যম ও নাগরিক অংশগ্রহণের উপযোগী ও সহায়ক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকা রসহ সকল অংশীজনকে সম্পৃক্তকরণ। • জাতীয়ভাবে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালন করা এবং অন্য সকল জাতীয় ও সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ দিবস ও অনুষ্ঠানে দুর্নীতিবিরোধী বার্তা প্রচার করার জন্য অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। • তথ্য কমিশন ও সংশ্লিষ্ট নাগরিক সংগঠনের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে মাঠ পর্যায়ে তথ্য অধিকার আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন, বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিশেষ চ্যালেঞ্জের প্রতি সংবেদনশীলতাসহ সকল নাগরিকের সমঅধিকার-ভিত্তিক তথ্যে অবাধ অভিগম্যতা নিশ্চিত করা। • দুর্নীতি যে শুধুমাত্র শাস্তিযোগ্য অপরাধ নয়, বরং সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সকল ধর্মীয় মানদণ্ডে একটি অগ্রহণযোগ্য, ঘৃণ্য, বৈষম্যমূলক, ধ্বংসাত্মক ও বর্জনীয় ব্যাধি, এই মানসিকতার বিকাশে সকল সম্ভাব্য, আকর্ষণীয় ও উদ্ভাবনী মাধ্যম ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কৌশলগত এবং টেকসই প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালনা করা। বিস্তারিত দেখুন
বর্তমানে শূন্য পদসমূহে অবিলম্বে নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে এবং এই সংস্কার কমিশনের সুপারিশমালা কার্যকর করার স্বার্থে যত দ্রুত সম্ভব নতুন জনবল-কাঠামো প্রণয়ন করে প্রয়োজনীয় পদের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে। বিস্তারিত দেখুন
CAG ও IMED কোনো দুর্নীতি উদঘাটন করলে কিংবা সন্দেহ করলে, তা যেন দুদকের নজরে আসে এবং দুদক প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে পারে, তা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে। বিস্তারিত দেখুন
দুদকের অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন কমিটি বিলুপ্ত করে একটি স্বতন্ত্র অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা অনুবিভাগ গঠন করতে হবে- • প্রস্তাবিত অনুবিভাগ দুদকের নিজস্ব লোকবল এবং বিভিন্ন প্রতিরক্ষা, গোয়েন্দা ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা হতে প্রেষণে বদলির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত লোকবল সমন্বয়ে গঠিত হবে। • প্রস্তাবিত অনুবিভাগ (ক) দুদক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য আচরণবিধির প্রতিপালন নিশ্চিত করবে ও এতদুদ্দেশ্যে প্রয়োজনবোধে কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সের আশ্রয় নেবে (খ) দুদক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দুর্নীতিসহ অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজের ব্যাপারে গোপন অনুসন্ধান বা ভদন্ত পরিচালনা করবে (গ) দুর্নীতি দমন কমিশন (কর্মচারী) চাকুরি বিধিমালা, ২০০৮ অনুসারে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীর ব্যাপারে প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান বা তদন্ত পরিচালনা করবে এবং (ঘ) প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে উপযুক্ত শান্তিমূলক ব্যবস্থার উদ্যোগ নেবে। বিস্তারিত দেখুন
দুদককে অতিদ্রুত সরকারের সহযোগিতায় বিভিন্ন তদন্ত বা গোয়েন্দা এজেন্সির সমন্বয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠন করে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চিহ্নিত করতে হবে। চিহ্নিত দুর্নীতিবাজদের বিভাগীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে চাকুরি থেকে বহিষ্কার করে ফৌজদারি বিচারে সোপর্দ করতে হবে। বিস্তারিত দেখুন
নিয়মিত বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির (increment) পাশাপাশি কর্মদক্ষতার জন্য দুদকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরকে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার অধীনে দুদকের নিজস্ব তহবিল থেকে আর্থিক প্রণোদনা (performance bonus) দিতে হবে। বিস্তারিত দেখুন
দুদকের নিজস্ব বেতন-কাঠামো তৈরি করতে হবে। এই বেতন-কাঠামোর আওতায় প্রাপ্য বেতনের পরিমাণ জাতীয় বেতন-কাঠামোর ন্যূনতম দ্বিগুণ হতে হবে। উপরন্তু, তদন্ত, গোপন অনুসন্ধান ও এতদসংশ্লিষ্ট কাজে নিযুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা যেন বেতনের বাইরেও পর্যাপ্ত ঝুঁকি ভাতা পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। বিস্তারিত দেখুন