বছর
2026
রিফর্ম ডোমেইন
উপ-ডোমেইন
শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 10-Sep-26
এই প্রতিশ্রুতিটি বাংলাদেশের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারে বলা হয়েছে, “পেনশনের আওতাভুক্ত শিক্ষকরা যেন অবসর প্রাপ্তির পরপরই অবসর ভাতা সহজে স্ব-স্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পেয়ে যান সেরকম সহজ ও ডিজিটাল পেমেন্ট মডেল তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 10-Sep-26
২০২৬ সালের ২৩ এপ্রিল শিক্ষামন্ত্রী সংসদে জানান, সরকার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ দ্রুত পরিশোধে জোরদার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দীর্ঘদিনের বকেয়া পরিশোধের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে কিছু সুনির্দিষ্টপদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
Last Update: 10-Sep-26
২০২৬ সালের ১৮ মে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড এবং কল্যাণ ট্রাস্টের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করে। এই প্রাতিষ্ঠানিক পুনর্গঠনের পর বিদ্যমান iBAS++ ব্যবস্থার মাধ্যমে অবসর ও কল্যাণ সুবিধার আবেদন ডিজিটালভাবে প্রক্রিয়াকরণের কাজ চলমান রয়েছে। ২০২৬ সালের ২৩ মে কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত পাওয়া আবেদনগুলো iBAS++-এর মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। অবসর সুবিধা বোর্ডের সরকারি পোর্টালেও অনলাইনে আবেদন, আবেদনের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং অনলাইনে অর্থ পাঠানোর সুবিধা রয়েছে।
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
Last Update: 10-Sep-26
২০২৬ সালের ১৫ আগস্ট সরকার সারা দেশে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ পরিশোধ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করে। iBAS++-এর মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ৬৪ জেলার সুবিধাভোগীদের ব্যাংক হিসাবে সরাসরি অর্থ পাঠানো হয়। এই কার্যক্রমের জন্য সরকার এককালীন ২,০৩৫.৮৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়।
পরবর্তী প্রতিবেদনে ১৭ আগস্ট নিশ্চিত করা হয় যে, সুবিধাভোগীরা তাদের ব্যাংক হিসাবে অর্থ পেতে শুরু করেছেন। প্রায় ৭০,১১৯টি অবসর সুবিধার আবেদন এবং ৫৩,৪৭৭টি কল্যাণ সুবিধার আবেদন এই কার্যক্রমের আওতায় এসেছে। জাতীয় পরিচয়পত্র ও ব্যাংক হিসাবের তথ্য যাচাইয়ের পর iBAS++-এর মাধ্যমে সরাসরি সুবিধাভোগীদের ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাঠানো হয়েছে।
মতামত
-
সরকার অবসর ও কল্যাণ সুবিধার আবেদন ডিজিটালভাবে প্রক্রিয়াকরণ এবং সরাসরি ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। তবে এখনো বিপুলসংখ্যক আবেদন বকেয়া রয়েছে এবং সুবিধাভোগীদের একটি অংশ আংশিক অর্থ পেয়েছেন। ইশতেহারে অবসরের পরই দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুবিধার অর্থ দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি ছিল তার সফলতা বোঝা যাবে ভবিষ্যতে শিক্ষক-কর্মচারীরা অবসরের পর কত দ্রুত তাদের পুরো পাওনা নিয়মিতভাবে পাচ্ছেনতার ওপর।
দীর্ঘদিনের বকেয়া পরিশোধে সরকার বড় পরিসরে অর্থ বিতরণ শুরু করলেও বিপুলসংখ্যক বকেয়া আবেদন ও অর্থের ঘাটতি থেকে বোঝা যায়, অবসরের পরপরই সম্পূর্ণ সুবিধার অর্থ ডিজিটাল ব্যবস্থায় পাওয়ার প্রতিশ্রুতি এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।