হলফনামার ছকে দেশি—বিদেশি সম্পত্তিসহ আয়কর রিটার্নের কপি সংযোজনের বিধান অন্তর্ভুক্ত করা এবং হলফনামার তথ্য ব্যাপকভাবে প্রচার করা, যাতে ভোটাররা জেনে—শুনে—বুঝে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

বছর
2025
রিফর্ম ডোমেইন
নির্বাচনী প্রক্রিয়া নির্বাচনী প্রক্রিয়া
উপ-ডোমেইন
হলফনামা
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
Electoral Reform Commission
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
বাস্তবায়িত
বাস্তবায়িত
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 14-Dec-25
এই সংস্কার প্রস্তাবটি নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে কিন্তু এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এটি শুরু করা হয়নি।
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 14-Dec-25
১১ আগস্ট ২০২৫ তারিখে নির্বাচন কমিশন Representation of the People Order (Amendment) Ordinance, 2025-এর খসড়া চূড়ান্ত করে। ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত করা RPO সংশোধনী প্রস্তাবটি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠায়।
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
Last Update: 14-Dec-25
৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে Representation of the People (Amendment) Ordinance, 2025 (Ordinance No. 56 of 2025) প্রণীত ও বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে Representation of the People Order (Second Amendment) Ordinance, 2025 (Ordinance No. 75 of 2025) প্রণীত ও গেজেটে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে সংশোধনীগুলো ১০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে Representation of the People (Amendment) Act, 2026 (Act No. 03 of 2026)-এর মাধ্যমে সংসদীয় আইনি রূপ পায়।
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
Last Update: 02-May-26
প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা, যার মধ্যে প্রয়োজনীয় হলফনামা এবং আয়কর-সংক্রান্ত নথিপত্র অন্তর্ভুক্ত ছিল, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ বিকেল ৫টায় শেষ হয়। এরপর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় নির্ধারিত ছিল ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ৪ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত।
বাস্তবায়িত
বাস্তবায়িত
Last Update: 02-May-26
১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য, ২,৫৬৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে, যার ফলে দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রের ২৮ শতাংশ বাতিল হয়েছে।
মতামত
    নির্বাচন কমিশনের সূত্র অনুযায়ী, ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষিত প্রার্থীদের অধিকাংশই স্বতন্ত্র ছিলেন। বাতিলের সাধারণ কারণগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল ভোটার সমর্থন তালিকায় কারিগরি অসামঞ্জস্য, অসম্পূর্ণ বা মিথ্যা হলফনামা, মামলার তথ্য প্রকাশ না করা, দ্বৈত নাগরিকত্ব, ঋণ খেলাপি, বকেয়া বিল, সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে অবসর-পরবর্তী নির্ধারিত তিন বছরের সময়কাল পূরণে ব্যর্থতা, এবং দলীয় মনোনয়নে অনিয়ম।
Your Reviews
সাবস্ক্রাইব

শব্দকোষ

Last Updated: 14th December 2025

Loading glossary...