খাত ও পেশাভিত্তিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা পরিকল্পনা তৈরি এবং হালনাগাদ করা; দুর্ঘটনা বা অবহেলার কারণে নিহত, আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের জন্য ক্ষতিপূরণের মান পুনর্মূল্যায়ন করা; একই সাথে, ন্যায্য প্রতিকার নিশ্চিত করার জন্য মর্যাদাপূর্ণ ক্ষতিপূরণের মানদণ্ড এবং পরিমাণ নির্দিষ্ট করা।

বছর
2025
রিফর্ম ডোমেইন
শ্রম শ্রম
উপ-ডোমেইন
নিরাপদ কর্মপরিবেশ, স্বাস্থ্যকর কর্মস্থল এবং শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবা
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
শ্রম সংস্কার কমিশন রিপোর্ট
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
বাস্তবায়িত
বাস্তবায়িত
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 02-May-26
শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখিত এই সংস্কার প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 02-May-26
২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর অন্তর্বর্তী সরকার শ্রমিকদের সুরক্ষা বাড়ানো, লিঙ্গসমতা জোরদার করা এবং দেশের শ্রমমানকে আইএলওর বাধ্যবাধকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ শ্রম আইন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়া অনুমোদন করে। অনুমোদনের পর অধ্যাদেশ হিসেবে জারির জন্য খসড়াটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর কথা ছিল।
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
Last Update: 02-May-26
বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০২৬ এ পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা (OSH) সম্পর্কিত বিধানগুলো হালনাগাদ করা হয়েছে, যার মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে বিরত থাকার অধিকার, তালিকা হালনাগাদ এবং ক্ষতিপূরণের মান নির্ধারণ রয়েছে। বাংলাদেশ ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে ILO কনভেনশন ১৫৫, ১৮৭ এবং ১৯০ অনুমোদন করেছে।
মতামত
    (OSH) সংক্রান্ত বিধানসমূহ দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে। তবে অ্যাসবেস্টসের সংস্পর্শের মতো কাজ-সম্পর্কিত রোগ সনাক্ত করার কোনো ব্যবস্থা নেই। দৃশ্যমান আঘাত মোকাবিলা করা তুলনামূলকভাবে সহজ, কিন্তু কম দৃশ্যমান ঝুঁকি শনাক্তের জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা ও পদ্ধতিতে বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে।

    এই প্রস্তাবটির বাস্তবায়ন শুরু করার জন্য নির্বাচিত সরকারের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক সমর্থন থাকা প্রয়োজন। রাজনৈতিক দলসমূহ তাদের নিজ নিজ নির্বাচনী ইশতেহারে এই সংস্কার প্রস্তাব সম্পর্কে তাদের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারে।

    এই সংস্কারের অগ্রগতি নিম্নলিখিত সূচকসমূহের জন্য তথ্য উৎপাদন ও ট্র্যাক করার মাধ্যমে পরিমাপ করা যেতে পারে:

    ১. কর্মক্ষেত্রে গঠিত ও কার্যকর পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা (OHS) কমিটির সংখ্যা

    ২. কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা পরিদর্শনের ঘনত্ব এবং পরিদর্শন প্রতিবেদন অনলাইনে প্রকাশ

    ৩. প্রতিবছর রিপোর্টকৃত পেশাগত রোগ, দুর্ঘটনা এবং প্রক্রিয়াকৃত ক্ষতিপূরণ দাবির সংখ্যা
Your Reviews
সাবস্ক্রাইব

শব্দকোষ

Last Updated: 14th December 2025

Loading glossary...