সব ধরনের গণমাধ্যমকে একই তদারকি বা নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানের আওতায় নিয়ে আসার উদ্দেশ্যে প্রেস কাউন্সিল ও প্রস্তাবিত সম্প্রচার কমিশনের পরিবর্তে সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্ত একটি স্বাধীন সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ গণমাধ্যম কমিশন প্রতিষ্ঠা। গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের আয় থেকে নির্ধারিত হারে চাঁদা নির্ধারণের মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানের ব্যয়ের সংস্থান করতে পারে। গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসাবে বাংলাদেশ গণমাধ্যম কমিশন যেসব দায়িত্ব পালন করবে তার মধ্য আছে: ক. প্রকাশক ও সম্পাদকের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা নির্ধারণ যাতে ফৌজদারি অপরাধে দন্ডিত এবং ঋণখেলাপিরা গণমাধ্যমে মালিক/সম্পাদক না হতে পারে। খ. সাংবাদিকতার জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ গ. সারাদেশে কর্মরত সাংবাদিকরা গণমাধ্যম কমিশনে নিবন্ধিত হবেন এবং কমিশন তাদের একটি তালিকা সংরক্ষণ করবে। ঘ. সাংবাদিকদের জন্য একটি আচরণবিধি (কোড অব কন্ডাক্ট) প্রণয়ন করবে ও তার প্রতিপালন নিশ্চিত করবে। ঙ. সম্প্রচার মাধ্যম (টিভি ও রেডিও) এবং অনলাইন পোর্টালের লাইসেন্স প্রদানের সুপারিশ ও তার শর্ত প্রতিপালন নিশ্চিত করবে। চ. ভুল বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীর অভিযোগের প্রতিকার। এটি সম্ভব হলে সংবাদমাধ্যমের প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি প্রতিষ্ঠায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হবে এবং গণমাধ্যম মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হবে।

বছর
2025
রিফর্ম ডোমেইন
গণমাধ্যম গণমাধ্যম
উপ-ডোমেইন
বাংলাদেশ গনমাধ্যম কমিশন
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
বাস্তবায়িত
বাস্তবায়িত
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 14-Dec-25
এই সংস্কার প্রস্তাবটি মিডিয়া সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে কিন্তু সংস্কার এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়নি।
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 20-Jul-26
অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর একটি খসড়া প্রণয়ন করেছিল। তবে খসড়াটি ১৩তম জাতীয় সংসদে আইন হিসেবে পাস হয়নি। পরবর্তীতে, ২০২৬ সালের এপ্রিলে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জানান যে সরকার যুক্তরাজ্যের অফকমের আদলে একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী গণমাধ্যম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিবেচনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায়, ২০২৬ সালের ১৮ জুন প্রস্তাবিত কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের অংশীজন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
মতামত
    বর্তমান সরকার গণমাধ্যম কমিশন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে; তবে নতুন প্রশাসনের অধীনে এখনো কোনো খসড়া আইন বা অনুমোদিত আইনি কাঠামো প্রকাশ করা হয়নি।


    জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর খসড়ার তৃতীয় অধ্যায়—‘কমিশনের ক্ষমতা ও কার্যাবলি’—এর ১২(১) ধারায় নিম্নলিখিত বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:

    ক. সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ সমুন্নত রাখার মাধ্যমে গণমাধ্যম/সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকতার সুরক্ষা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং স্ব-নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে প্রয়োজনীয় মানদণ্ড প্রণয়ন ও সেগুলোর প্রতিপালন নিশ্চিত করা;

    গ. অনুমোদিত ইলেকট্রনিক ও অন্যান্য গণমাধ্যম/সংবাদমাধ্যমসংক্রান্ত ভোক্তা অভিযোগের বিরোধ বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিষ্পত্তি করা এবং এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যম/সংবাদমাধ্যমের জন্য অনুসরণীয় বাধ্যতামূলক নির্দেশিকা প্রণয়ন করা;

    ঘ. সাংবাদিকদের ন্যূনতম যোগ্যতা ও সুরক্ষাসংক্রান্ত প্রবিধান প্রণয়ন করা;

    ঙ. অনুমোদিত ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যম/সংবাদমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের সুরক্ষা এবং এসব গণমাধ্যম/সংবাদমাধ্যমসংক্রান্ত ভোক্তা অভিযোগ নিষ্পত্তির বিষয়ে নির্দেশিকা প্রণয়ন করা।
Your Reviews
সাবস্ক্রাইব

শব্দকোষ

Last Updated: 14th December 2025

Loading glossary...