বছর
2025
রিফর্ম ডোমেইন
উপ-ডোমেইন
বাংলাদেশ গনমাধ্যম কমিশন
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 14-Dec-25
এই সংস্কার প্রস্তাবটি মিডিয়া সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে কিন্তু সংস্কার এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়নি।
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 20-Jul-26
অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর একটি খসড়া প্রণয়ন করেছিল। তবে খসড়াটি ১৩তম জাতীয় সংসদে আইন হিসেবে পাস হয়নি। পরবর্তীতে, ২০২৬ সালের এপ্রিলে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জানান যে সরকার যুক্তরাজ্যের অফকমের আদলে একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী গণমাধ্যম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিবেচনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায়, ২০২৬ সালের ১৮ জুন প্রস্তাবিত কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের অংশীজন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
মতামত
-
বর্তমান সরকার গণমাধ্যম কমিশন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে; তবে নতুন প্রশাসনের অধীনে এখনো কোনো খসড়া আইন বা অনুমোদিত আইনি কাঠামো প্রকাশ করা হয়নি।
জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর খসড়ার তৃতীয় অধ্যায়—‘কমিশনের ক্ষমতা ও কার্যাবলি’—এর ১২(১) ধারায় নিম্নলিখিত বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
ক. সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ সমুন্নত রাখার মাধ্যমে গণমাধ্যম/সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকতার সুরক্ষা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং স্ব-নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে প্রয়োজনীয় মানদণ্ড প্রণয়ন ও সেগুলোর প্রতিপালন নিশ্চিত করা;
গ. অনুমোদিত ইলেকট্রনিক ও অন্যান্য গণমাধ্যম/সংবাদমাধ্যমসংক্রান্ত ভোক্তা অভিযোগের বিরোধ বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিষ্পত্তি করা এবং এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যম/সংবাদমাধ্যমের জন্য অনুসরণীয় বাধ্যতামূলক নির্দেশিকা প্রণয়ন করা;
ঘ. সাংবাদিকদের ন্যূনতম যোগ্যতা ও সুরক্ষাসংক্রান্ত প্রবিধান প্রণয়ন করা;
ঙ. অনুমোদিত ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যম/সংবাদমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের সুরক্ষা এবং এসব গণমাধ্যম/সংবাদমাধ্যমসংক্রান্ত ভোক্তা অভিযোগ নিষ্পত্তির বিষয়ে নির্দেশিকা প্রণয়ন করা।
তথ্যাবলী