গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন বিশ্বের উত্তম চর্চার কয়েকটি দৃষ্টান্তের আলোকে সাংবাদিকতা সুরক্ষা আইনের একটি খসড়া অধ্যাদেশ আকারে এই রিপোর্ট সংযুক্ত করেছে এবং দ্রুতই এটি জারি করার ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব করছে। এছাড়াও গত ১৫ বছরে বিভিন্ন আইনের অপপ্রয়োগের ঘটনাগুলো সম্পর্কে নিম্নোক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ সমীচীন বলে মনে করছে: ক. দন্ডবিধি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, সাইবার সুরক্ষা আইন এবং আদালত অবমাননা আইনসহ প্রযোজ্য বিভিন্ন আইনের অধীনে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলো চিহ্নিত ও পর্যালোচনা করতে হবে। পর্যালোচনার পর প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সরকারি কৌঁসুলি কর্তৃক মামলা প্রত্যাহার অথবা পুলিশ কর্তৃক চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। খ. পর্যালোচনা সাপেক্ষে মিথ্যা মামলার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত ও ন্যায়সংগত পদক্ষেপ নিতে হবে। গ. ক্ষতিগ্রস্ত সাংবাদিক ও তাদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে হবে। ঘ. ক্ষতিগ্রস্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে যৌক্তিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ঙ. সাংবাদিকদের ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও জীবনে বেআইনি অনুপ্রবেশ, নজরদারি ও আড়িপাতার ঘটনাগুলো তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

বছর
2025
রিফর্ম ডোমেইন
গণমাধ্যম গণমাধ্যম
উপ-ডোমেইন
সাংবাদিক সুরক্ষা আইন
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
বাস্তবায়িত
বাস্তবায়িত
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 14-Dec-25
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন রিপোর্টে উল্লিখিত এই সংস্কার প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হয়েছে।
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 20-Jul-26
অন্তর্বর্তী সরকার খসড়া জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৬-এ সাংবাদিক সুরক্ষা ও ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত কিছু সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করেছিল, তবে অধ্যাদেশে কয়েকটি মূল সুপারিশ অনুপস্থিত ছিল। খসড়াটি এখনও বিবেচনাধীন রয়েছে, এবং খসড়া প্রণয়নের বাইরে কোনো অগ্রগতি শনাক্ত করা যায়নি। ১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (CRAB)-এর একটি অনুষ্ঠানে তথ্য মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে সরকার সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা, মজুরি কাঠামো এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি রোডম্যাপ প্রস্তুত করছে। তবে সেই রোডম্যাপে কোনো আইন অন্তর্ভুক্ত থাকবে কিনা তা স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা হয়নি।
মতামত
    বর্তমান সরকার গণমাধ্যম কমিশন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে; তবে নতুন প্রশাসনের অধীনে এখনো কোনো খসড়া আইন বা অনুমোদিত আইনি কাঠামো প্রকাশ করা হয়নি। ২০২৬ সালের ১৭ মে সম্পাদক পরিষদ প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি ২৮২ জন সাংবাদিকের একটি তালিকা জমা দেয়, যাদের মধ্যে ৯৪ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে বলে জানা গেছে।


    জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর খসড়ার তৃতীয় অধ্যায়—‘কমিশনের ক্ষমতা ও কার্যাবলি’—এর ১২(২) ধারায় নিম্নলিখিত বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:

    (ঙ) গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে যুক্তিসংগত নিয়োগের শর্ত, যথাযথ পারিশ্রমিক, কর্মক্ষেত্রে ন্যায্য আচরণ, সাম্য ও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার; এবং

    (চ) চাকরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হুমকি, হয়রানি, যৌন হয়রানি ও সহিংসতা থেকে মুক্ত থাকার অধিকার এবং এ ধরনের ঘটনার শিকার হলে আইনি ও চিকিৎসাসেবা ইত্যাদি পাওয়ার অধিকার;

    উপধারা (৫): পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সহিংসতা, বেআইনি আটক, গুম বা অপহরণের মতো অপরাধের শিকার সাংবাদিকদের ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কমিশন প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করবে।
Your Reviews
সাবস্ক্রাইব

শব্দকোষ

Last Updated: 14th December 2025

Loading glossary...