বছর
2026
রিফর্ম ডোমেইন
উপ-ডোমেইন
শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 10-Sep-26
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহারে এই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ইশতেহারে বলা হয়েছে, “পার্বত্য অঞ্চল, হাওরাঞ্চল ও চরাঞ্চলসহ দুর্গম এলাকায় অবকাঠামো ও মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতের বরাদ্দে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, যাতে একটি শিশুও শিক্ষায় আলো থেকে বঞ্চিত না হয়।”
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 10-Sep-26
২০২৬ সালের ১৫ মার্চ শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী জাতীয় সংসদে জানান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষার উন্নয়নে সরকার কয়েকটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়ন, স্কুল ফিডিং কর্মসূচি, কক্সবাজার, বান্দরবান ও ভাসানচরে প্রাক্-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং বিদ্যালয়ের বাইরে থাকা শিশুদের জন্য উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম।
২০২৬ সালের ৫ মে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জানান যে, প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের জন্য ১৩টি নতুন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এসব প্রকল্পের মধ্যে ছিল পার্বত্য জেলার বিদ্যুৎবিহীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ সংযোগ, জরাজীর্ণ বিদ্যালয় সংস্কার, ইউনিয়ন পর্যায়ে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গড়ে তোলা, প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অবকাঠামো উন্নয়ন । ২০২৬ সালের ১১ আগস্ট প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকার রাঙ্গামাটির প্রায় ৩০০টি অত্যন্ত দুর্গম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সোলার প্যানেল স্থাপনের বিষয়টিও বিবেচনা করছিল। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, রাঙ্গামাটির ৩৮৯টি স্কুলে এখনো কোনো বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। এছাড়া, ৩০ আগস্ট প্রতিমন্ত্রী আরও জানান যে, যে, চর ও দুর্গম এলাকায় কর্মরত শিক্ষকদের জন্য একটি বিশেষ ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার।
মতামত
-
পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন ও বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ হবে, কারণ এর মধ্যে দুর্গম এলাকার ঝরে পড়া রোধে বিভিন্ন উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে, শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে বিদ্যমান সমস্যা মোকাবিলায় সরকার বিচ্ছিন্নভাবে কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৬ সালের ২১ জুলাই, বর্ষা মৌসুমে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে সহায়তার জন্য সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার ১৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ১৬টি নৌকা হস্তান্তর করা হয়। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দকৃত ২.৬ লাখ টাকা ব্যয়ে এই নৌকাগুলো প্রস্তুত করা হয়েছিল। তথ্যানুসারে উপজেলার ৮৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রায় ৪৫টিতেই বর্ষাকালে যাতায়াতের জন্য নৌকার প্রয়োজন হয়।