বছর
2026
রিফর্ম ডোমেইন
উপ-ডোমেইন
শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 10-Sep-26
এই প্রতিশ্রুতিটি বাংলাদেশের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারে বলা হয়েছে, “ধর্মীয় শিক্ষাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারিভাবে তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষা এবং ফ্রিল্যান্সিং সংক্রান্ত কোর্সসহ শিক্ষার পর্যাপ্ত সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। পাশাপাশি, দেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটসমূহে কারিগরি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার ক্ষেত্রে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের বাধাহীন প্রবেশ নিশ্চিত, নানাবিধ প্রণোদনা ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা হবে। মাদ্রাসার কারিকুলামে পেশাভিত্তিক ও বৃত্তিমূলক বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এই সংস্কারের আওতায় ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, আইটি এবং ইংরেজিসহ বিভিন্ন ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা থাকবে, যাতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা উৎপাদনশীল কাজ, দেশে-বিদেশে চাকরি, অন্যান্য পেশা ও উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে পিছিয়ে না পড়ে। উল্লেখ্য যে বিএনপি সর্বশেষ রাষ্ট্রের বিভিন্ন মাদ্রাসায় থাকাকালীন কওমী মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিস সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রীর সমমান ঘোষণা করে।”
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 10-Sep-26
২০২৬ সালের ৮ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী সংসদে জানান, মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে সরকার স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপন, শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ এবং মাদ্রাসা শিক্ষায় কারিগরি কোর্স চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে।
২০২৬ সালের ২১ এপ্রিল জানা যায়, সরকার নেক্সটজেন এডুকেশন প্রোগ্রাম ২০২৬-২০৩০ (NextGen Education Program (NGEP) 2026–2030) চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে। ২,৩৭৪.০৮ কোটি টাকার এই উদ্যোগের আওতায় মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়নে নতুন শ্রেণিকক্ষ, আইসিটি ও বিজ্ঞান ল্যাব, স্মার্ট ক্লাসরুম, লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, ইউনিফায়েড অ্যাসেসমেন্ট সিস্টেম এবং অন্তত ১ লাখ শিক্ষককে প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা রয়েছে।
২০২৬ সালের ২৩ এপ্রিল শিক্ষামন্ত্রী সংসদে জানান, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি বিশেষ প্রকল্পের আওতায় শিক্ষাক্রম ও মূল্যায়ন পদ্ধতি আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষার সম্প্রসারণের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
২০২৬ সালের ৮ জুন এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানান, বিদ্যমান শিক্ষাক্রম কাঠামোর মধ্যে শিক্ষার্থীদের তৃতীয় ভাষা শেখার সুযোগ দিতে একটি বড় অংশ যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
মতামত
-
এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকারের নীতিনির্ধারকেরা দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন এবং এ লক্ষ্যে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের কথাও জানিয়েছেন। ফলে কিছু অগ্রগতি দৃশ্যমান হলেও বাস্তবায়ন এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।