প্রস্তাবিত “বাছাই ও পর্যালোচনা কমিটি দুদকের কার্যক্রম পর্যালোচনার উদ্দেশ্যে নিম্নবর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করবে- • প্রতি ছয় মাস অন্তর দুদক তার কার্যক্রমের প্রতিবেদন তৈরি করে প্রস্তাবিত বাছাই ও পর্যালোচনা কমিটির নিকট পেশ করবে; • উক্ত প্রতিবেদনের ছক (format) কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত হইবে। তবে, প্রতিবেদনে আবশ্যিকভাবে যে সকল বিষয় থাকতে হবে, সেগুলো হল- (১) প্রাপ্ত অভিযোগের সংখ্যা এবং যাচাই বাছাই শেষে তদন্তে প্রেরিত অভিযোগের সংখ্যা (২) কী কারণে কতগুলো অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়েছে বা হয়নি, তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ (৩) দুর্নীতির ধরন ও মাত্রা অনুযায়ী তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমে চলমান বিভিন্ন মামলার সংখ্যা (৪) চলমান গোপন অনুসন্ধানের সংখ্যা ও ধরন (৫) পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত গুরুতর ও বৃহৎ আকারের দুর্নীতির অভিযোগ বিষয়ে দুদকের কার্যক্রমের বিবরণ (৬) অর্থ পাচার-সংক্রান্ত অপরাধের তদন্ত ও বিচারের অগ্রগতি বিষয়ক প্রতিবেদন (৭) রাষ্ট্রীয় ও সরকারি বিভিন্ন সংস্থার সহিত সহযোগিতার ব্যপারে অবহিতকরণ (৮) দুর্নীতি প্রতিরোধ কার্যক্রমের ব্যাপারে প্রতিবেদন (৯) দুদকের অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন বিষয়ে অগ্রগতি (১০) দুদকের দুর্নীতি প্রতিরোধী কার্যক্রমের বিবরণ; • কমিটি দুদক কর্তৃক উপস্থাপিত প্রতিবেদনের ওপর উন্মুক্ত শুনানির ব্যবস্থা করবে; • কমিটি যথাসম্ভব উক্ত শুনানি কার্যক্রমে নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের ও বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দেবে; • উক্ত শুনানি শেষে কমিটি তার লিখিত পর্যবেক্ষণ প্রকাশ করবে; • কমিটিকে এটি নিশ্চিত করতে হবে যে, উক্ত শুনানির কারণে কোনো অবস্থাতেই যেন চলমান তদন্ত বা অনুসন্ধানের গোপনীয়তা লঙ্ঘিত না হয় এবং কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা মামলা সম্পর্কে আলোচনার সূত্রপাত না হয়; • কমিটি উন্মুক্ত শুনানিতে অনুসরণীয় Standard operating procedure (SOP) প্রণয়ন করবে এবং এর যথাযথ প্রতিপালন নিশ্চিত করবে।

সাবস্ক্রাইব

শব্দকোষ

Last Updated: 14th December 2025

Loading glossary...