স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা

বছর
2026
রিফর্ম ডোমেইন
ম্যানিফেস্টো ওয়াচ ম্যানিফেস্টো ওয়াচ
উপ-ডোমেইন
নারীর ক্ষমতায়ন
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
বাস্তবায়িত
বাস্তবায়িত
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 03-Aug-26
এই প্রতিশ্রুতিটি বাংলাদেশের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারে বিএনপি বলেছে, “নারী শিক্ষার্থীদের জন্য স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে পড়ালেখার সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। মেয়েদের জন্য একাডেমিক ও কারিগরি শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা হবে, যাতে গ্রাম বা শহর, যেখানেই হোক, প্রতিটি মেয়ে দক্ষতা অর্জন করে নিজের ভবিষ্যৎ গড়তে পারে।”
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 03-Aug-26
২০২৬ সালের ৭ মার্চ সরকার নারীদের স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনা মূল্যে শিক্ষা চালুর পরিকল্পনা পুনর্ব্যক্ত করে এবং উচ্চশিক্ষা ও ডিজিটাল শিক্ষায় নারীদের সুযোগ বাড়ানোর কথা জানায়। পরে ২০২৬ সালের ১৬ মে প্রধানমন্ত্রী এক জনসভায় মেয়েদের জন্য স্নাতক পর্যন্ত বিনা মূল্যে শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং মেধাবী ছাত্রীদের বৃত্তি দেওয়ার ঘোষণা দেন। ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রীও মেয়েদের জন্য স্নাতক পর্যন্ত বিনা মূল্যে শিক্ষা সম্প্রসারণের কথা জানান। একই অর্থবছরের জেন্ডার বাজেট প্রতিবেদনে নারীদের স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনা মূল্যে শিক্ষার বিস্তৃত ইশতেহারি লক্ষ্যটি বহাল রাখা হলেও, এটিকে পূর্ণাঙ্গ নকশা ও বাজেটসহ কোনো কর্মসূচি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি; বরং নীতিগত লক্ষ্য হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া, ২০২৬ সালের ৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রী সংসদে দেওয়া বক্তব্যে স্নাতক পর্যন্ত বিনা মূল্যে শিক্ষার এই সীমিত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং মেধাবী ছাত্রীদের জন্য বৃত্তির ঘোষণা দেন।
মতামত
    সরকার এই প্রতিশ্রুতি বারবার পুনর্ব্যক্ত করলেও, এখন পর্যন্ত ঘোষণাগুলো মূলত স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত বিনা মূল্যে শিক্ষার ওপর সীমাবদ্ধ। অথচ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনা মূল্যে শিক্ষার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। বাস্তবায়নের পদ্ধতি, যোগ্যতা, অর্থায়ন, আবেদনপ্রক্রিয়া বা উপকারভোগীর তথ্য না থাকায় প্রতিশ্রুতিটি বাস্তবায়নের পর্যায়ে পৌঁছেছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।


    এই উদ্যোগের সম্ভাব্য সুবিধাও সীমিত। কারণ এটি মূলত সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রযোজ্য, যেখানে নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্যই শিক্ষার ব্যয় আগে থেকেই অনেকটা ভর্তুকিনির্ভর। ভর্তি ও পরীক্ষার ফি, বই, ডিজিটাল ডিভাইস, যাতায়াত এবং আবাসনের মতো বড় খরচগুলো এই ঘোষণার আওতায় পড়ে কি না, এই বিষয়টি এখনো স্পষ্ট নয়।
    বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে বিনা মূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করার কোনো বাধ্যবাধকতার তথ্যও এখনো পাওয়া যায়নি। অথচ সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসন সীমিত হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করে। একই সঙ্গে শুধু ফি মওকুফ করলেই শিক্ষার মানের বৈষম্য দূর হবে না—বিশেষ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত অনেক কলেজে শিক্ষার মান নিয়ে যে উদ্বেগ রয়েছে, তা বহাল থাকবে।
Your Reviews
সাবস্ক্রাইব

শব্দকোষ

Last Updated: 14th December 2025

Loading glossary...