১ লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ

বছর
2026
রিফর্ম ডোমেইন
ম্যানিফেস্টো ওয়াচ ম্যানিফেস্টো ওয়াচ
নারী নারী
উপ-ডোমেইন
স্বাস্থ্যসেবা
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
বাস্তবায়িত
বাস্তবায়িত
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 03-Aug-26
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহারে এই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। ইশতেহারে বলা হয়েছে, “দেশজুড়ে সকল নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রায় এক লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে, যাদের ৮০ ভাগ হবেন নারী।”
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 15-Oct-26
২০২৬ সালের ৪ মার্চ সরকার প্রতিশ্রুতিটি বাস্তবায়নের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা করে। এ সময় জানানো হয়, প্রস্তাবিত স্বাস্থ্যকর্মীদের ৮০ শতাংশ নারী এবং ২০ শতাংশ পুরুষ হবেন। পরে ৭ এপ্রিল স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাতীয় সংসদে জানান, স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের জন্য সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে। ১১ জুন ২০২৬ উপস্থাপিত ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় এই প্রতিশ্রুতিকে সরকারের নীতিগত কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়, নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রায় ৮০ শতাংশ হবেন নারী। এই স্বাস্থ্যকর্মীরা নারী ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য এবং প্রাথমিক ও কমিউনিটি পর্যায়ের সেবা প্রদানে যুক্ত থাকবেন। ২০২৬ সালের ২১ জুন সরকার জানায়, এই নিয়োগ কার্যক্রম তিন থেকে চার বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করা হবে। পরবর্তীতে ৩০ জুন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুমোদিত পদ, কর্মরত জনবল ও শূন্যপদের হালনাগাদ তথ্য চেয়েছে বলে জানা যায়। এই তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্য ছিল কোথায় কত জনবল প্রয়োজন এবং প্রস্তাবিত স্বাস্থ্যকর্মীদের কোন কোন প্রতিষ্ঠানে পদায়ন করা হবে, তা নির্ধারণ করা।
মতামত
    ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হলেও তাঁদের নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, বেতন-ভাতা ও কর্মস্থলে পদায়নের জন্য আলাদা কোনো বরাদ্দের তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে পরবর্তী সময়ে এই উদ্যোগ কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে কিছুটা ধারণা পাওয়া গেছে। ২০২৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তিন ধাপে স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে, যার মধ্যে ২০২৬–২৭ অর্থবছরে ৪৫,৭০০ জনকে নিয়োগের লক্ষ্য রয়েছে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর নিয়োগপ্রাপ্তদের গ্রেড, চাকরির ধরন ও দায়িত্ব নির্ধারণে কাজ করছে বলেও জানানো হয়।
    অন্যদিকে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত জানান, প্রস্তাবিত স্বাস্থ্যকর্মীরা তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা ও রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমে সহায়তা করবেন। এর মধ্যে বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং অসংক্রামক রোগ শনাক্তে প্রাথমিক পরীক্ষার মতো কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তবে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মীর মধ্যে কতজনকে নতুন পদ সৃষ্টি করে নিয়োগ দেওয়া হবে এবং কতজনকে বিদ্যমান শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এদিকে, বৃহত্তর নিয়োগ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সেপ্টেম্বরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতায় মাঠপর্যায়ের প্রায় ৩৫ হাজার শূন্য পদ দ্রুত পূরণের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে নিয়োগ পরিকল্পনার বিষয়ে এখনো অধিকতর স্পষ্টতা প্রয়োজন। বিশেষ করে প্রস্তাবিত এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মীর জন্য কী ধরনের পদ সৃষ্টি করা হবে, এসব পদে নিয়োগের যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ কী হবে এবং জেলাভিত্তিক তাঁদের বণ্টনপ্রক্রিয়া কেমন হবে—এসব বিষয়ে স্পষ্টতা জরুরি।
Your Reviews
সাবস্ক্রাইব

শব্দকোষ

Last Updated: 14th December 2025

Loading glossary...