বছর
2026
রিফর্ম ডোমেইন
উপ-ডোমেইন
শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 10-Sep-26
এই প্রতিশ্রুতিটি বাংলাদেশের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারে বিএনপি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, “প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সমমানের শিক্ষকদের আধুনিক ও সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা অর্জনসহ সার্বিক সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ট্যাবলেট কম্পিউটার প্রদান করা হবে”।
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 10-Sep-26
২০২৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, প্রত্যেক শিক্ষককে একটি করে ট্যাব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব ট্যাবে পাঠ পরিকল্পনা, প্রশ্নব্যাংক, উপস্থিতি ব্যবস্থাপনা এবং শিক্ষার্থীদের শেখার অগ্রগতি-সংক্রান্ত অ্যাপ্লিকেশন থাকবে।
২০২৬ সালের ২৪ মার্চ সরকারের ১৮০ দিনের শিক্ষা খাতের অগ্রাধিকার কর্মসূচিতে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে,১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী সংসদে জানান, এই কর্মসূচির আওতায় কারিগরি শিক্ষার ৯ হাজার শিক্ষককে ট্যাব দেওয়া হবে।
২০২৬ সালের ১৬ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় বগুড়া ও চাঁদপুরের দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হুয়াওয়ের ‘ওয়ান ক্লাসরুম, ওয়ান স্মার্ট বোর্ড অ্যান্ড ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাবলেট’ পাইলট কর্মসূচির অনুমোদন দেয়।
২০২৬ সালের ৪ আগস্ট প্রকাশিত একটি সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) মাধ্যমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় পৃথক ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ স্কিম তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে।
মতামত
-
২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই কর্মসূচির কথা উল্লেখ করা হলেও এর জন্য আলাদা কোনো বরাদ্দের কথা উল্লেখ করা হয়নি। প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে আসন্ন পিইডিপি-৫ প্রকল্পে শিক্ষকদের ট্যাব ও সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা থাকতে পারে। তবে প্রকল্পটি এখনো অনুমোদিত হয়নি।এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল অবকাঠামো ও প্রযুক্তি সুবিধা সম্প্রসারণের সরকারের অন্যান্য উদ্যোগের সঙ্গে সমন্বয় করা প্রয়োজন। এই ক্ষেত্রে বাংলাদেশে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম বাস্তবায়নের আগের অভিজ্ঞতাও বিবেচনায় নেওয়া দরকার। নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আগের হিসাব অনুযায়ী, শুধু প্রাথমিক পর্যায়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে আনুমানিক ৫২০–৭৮০ কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে। এই হিসাবে প্রতিটি ট্যাবের দাম ৮,০০০–১২,০০০ টাকা ধরে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মাধ্যমিক পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য আরও প্রায় ২৩০–৩৫০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে।