নারীদের নিরাপত্তা ও নারীবান্ধব বাস চালুকরণ

বছর
2026
রিফর্ম ডোমেইন
ম্যানিফেস্টো ওয়াচ ম্যানিফেস্টো ওয়াচ
উপ-ডোমেইন
নিরাপদ ও টেকসই ঢাকা বিনির্মাণ
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
বাস্তবায়িত
বাস্তবায়িত
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 03-Aug-26
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহারে এই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। ইশতেহারে বলা হয়েছে, “নারীদের সার্বক্ষণিক নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে মানসিকভাবে ঢাকার বিভিন্ন রুটে ‘শুধুমাত্র নারী যাত্রী’ বাস (পিংক বাস) চালু করা হবে। পরীক্ষামূলকভাবে সেখানে ড্রাইভার ও সহকারী হিসেবেও নারীরা থাকবেন।”
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 03-Aug-26
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় শুধু নারীদের জন্য বাসসেবা চালুর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। ২ মার্চ ২০২৬ তিনি সেবাটি চালু করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীকে নির্দেশনা দেন। পরবর্তী সময়ে বাস্তবায়নের কারিগরি দিক নিয়ে পরামর্শ নিতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) অধীনে নারীদের জন্য পৃথক বাসসেবা চালুর আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেয় সরকার।
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
Last Update: 03-Aug-26
ঢাকায় শুধু নারীদের জন্য বাসসেবা চালুর লক্ষ্যে সরকার ইশতেহারের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত উদ্যোগ নিয়েছে। জানা যায়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনায় আটটি রুটে নারী চালক ও সহকারীর মাধ্যমে নয়টি নারী বাস চালুর উদ্যোগটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় সম্পূর্ণভাবে নারীদের দ্বারা পরিচালিত ও ব্যবস্থাপিত ‘পিংক বাস সার্ভিস’-এর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। একই অর্থবছরের জেন্ডার বাজেট প্রতিবেদনে নারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার উপায় হিসেবে নিরাপদ পরিবহন ও নারীদের জন্য স্বতন্ত্র বাসসেবাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, ২০২৬ সালের ১৯ জুলাই সরকার শুধু নারী যাত্রীদের জন্য ১০০টি বৈদ্যুতিক মিনিবাস কেনার প্রস্তাব দেয়। এ উদ্যোগের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪০ কোটি টাকা। উদ্যোগটি বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) অর্থ বিভাগের কাছে জরুরি ভিত্তিতে অর্থ বরাদ্দ চেয়েছে। প্রস্তাবে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে বাসগুলো কেনার কথাও বলা হয়েছে। এসব পদক্ষেপ ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের নীতিগত ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করেছে। তবে এখন পর্যন্ত রুট অনুমোদন, বিআরটিসির বাস্তবায়নসংক্রান্ত পরিপত্র, বাস ক্রয় সম্পন্ন হওয়া, নারী চালক ও সহকারী নিয়োগ কিংবা শুধু নারীদের জন্য বাসসেবা চালুর কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই প্রতিশ্রুতিটি ‘আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন’ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে বিবেচনা করা যায়; তবে এর কাঠামো প্রণয়ন এখনো আংশিক সম্পন্ন হয়েছে।
মতামত
    প্রতিশ্রুতিটি একটি রাজনৈতিক অঙ্গীকার থেকে আরও সুনির্দিষ্ট নীতি ও অর্থায়ন প্রস্তাবে অগ্রসর হয়েছে। সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনায় আটটি রুটে নয়টি বাস চালু, নারী চালক ও সহকারী নিয়োগ এবং তাঁদের প্রশিক্ষণ ও ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার মতো বাস্তবায়নসংক্রান্ত বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতা ও জেন্ডার বাজেট প্রতিবেদনেও নারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার নীতিগত উদ্যোগ হিসেবে ‘পিংক বাস সার্ভিস’কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে বিআরটিসি শুধু নারী যাত্রীদের জন্য ১০০টি বৈদ্যুতিক মিনিবাস কেনার প্রস্তাব দিয়েছে এবং এ জন্য অর্থ বিভাগের কাছে ৩৪০ কোটি টাকা চেয়েছে। এর ফলে বাস ক্রয় ও অর্থায়নের পরিকল্পনা আগের তুলনায় আরও সুনির্দিষ্ট হয়েছে।


    তবে প্রস্তাবটি এখনো বাস্তব কার্যক্রমে রূপ নেয়নি। মন্ত্রনালয়ের কাছে চাওয়া অর্থ বরাদ্দ অনুমোদন, বাস ক্রয় সম্পন্ন, আনুষ্ঠানিকভাবে রুট নির্ধারণ, নারী চালক ও সহকারী নিয়োগ বা প্রশিক্ষণ কিংবা বাসসেবা চালুর কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে প্রতিশ্রুতিটির আইনি ও নীতিগত ভিত্তি আগের তুলনায় শক্তিশালী হলেও এটি এখনো ‘প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ’ পর্যায়ে পৌঁছায়নি।
Your Reviews
সাবস্ক্রাইব

শব্দকোষ

Last Updated: 14th December 2025

Loading glossary...