বিবাহ নিবন্ধনের তথ্য-সংরক্ষণের জন্য একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল তথ্য ভাণ্ডার স্থাপন করা এবং যার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মসনদ আবশ্যক করা। নতুন বিবাহের অনুমতি দেওয়ার আগে বিদ্যমান বৈবাহিক অবস্থা যাচাই করার ব্যবস্থা (ডিজিটাল তথ্য ভাণ্ডারের সাথে সংযুক্ত) চালু করা।

বছর
2025
রিফর্ম ডোমেইন
নারী নারী
উপ-ডোমেইন
প্রাতিষ্ঠানিক
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
বাস্তবায়িত
বাস্তবায়িত
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 29-Jul-26
এই সংস্কার প্রস্তাবটি নারী সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উপস্থাপিত হয়েছে, তবে এটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হয়নি।
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 29-Jul-26
সরকার ২০২৫ সালের ৭ এপ্রিল মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯ সংশোধন করে, যার ফলে প্রচলিত ম্যানুয়াল পদ্ধতির পাশাপাশি অনলাইন নিবন্ধনের সুযোগ চালু হয়। পরবর্তীতে, ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট সরকারকে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ব্যবস্থা ডিজিটাল করার নির্দেশ দেন।
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
Last Update: 29-Jul-26
২০২৬ সালের ২৮ জানুয়ারি প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ রায়ে হাইকোর্ট সরকারকে সারা দেশে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের জন্য একটি কেন্দ্রীয়, অনুসন্ধানযোগ্য (searchable) এবং জালিয়াতি-প্রতিরোধী (tamper-proof) ডিজিটাল ব্যবস্থা গড়ে তোলার নির্দেশ দেন। রায়ে নারীদের জন্য বিশেষভাবে সহজ ও স্বল্প ব্যয়ে ডিজিটাল প্রত্যয়িত কপি (certified copy) পাওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এবং তিন মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ও অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতেও সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
মতামত
    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদে, ২০২৬ সালের ২৮ জানুয়ারি প্রকাশিত এক পূর্ণাঙ্গ রায়ে হাইকোর্ট সরকারকে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের জন্য একটি কেন্দ্রীয়, অনুসন্ধানযোগ্য এবং সুরক্ষিত (ট্যাম্পার-প্রুফ) ডিজিটাল ব্যবস্থা গড়ে তোলার নির্দেশ দেয় এবং তিন মাসের মধ্যে এর একটি বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ও প্রতিপালন প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করে। তবে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে কোনো সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল বলে প্রকাশ্যে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর, ২০২৬ সালের ১৬ এপ্রিল আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী সংসদে জানান যে 'সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিকস' (CRVS) উদ্যোগের আওতায় ১০টি জেলার ১০২টি ইউনিয়নে মুসলিম বিবাহ আইনানুযায়ী অনলাইন বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু করা হবে। তবে, সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত তথ্য-প্রমাণের অভাবের কারণে হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়নের বর্তমান অবস্থা মূল্যায়ন করা সম্ভব হয়নি।
Your Reviews
সাবস্ক্রাইব

শব্দকোষ

Last Updated: 14th December 2025

Loading glossary...