বছর
2025
রিফর্ম ডোমেইন
উপ-ডোমেইন
নীতিসংক্রান্ত
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 29-Jul-26
এই সংস্কার প্রস্তাবটি নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উপস্থাপিত হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহারেও এ-সংক্রান্ত অনুরূপ প্রতিশ্রুতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে: “প্রজনন ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার” এবং “নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন।”
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 29-Jul-26
২০২০ সালে হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিতভাবে (সুয়ো মোটো) একটি রুল জারি করে জানতে চান, কেন নিরাপদ সুপেয় পানির প্রাপ্তিকে মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করা হবে না এবং নিরাপদ সুপেয় পানি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব কি না। পরবর্তীতে বিষয়টি হাইকোর্টে বিচারাধীন থাকে। মামলাটির সাংবিধানিক ও আইনগত বিষয়গুলোতে আদালতকে সহায়তা করার জন্য আদালত তিনজন অ্যামিকাস কিউরি (Amicus Curiae)—অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ, অ্যাডভোকেট মিনহাজুল হক চৌধুরী এবং ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির পল্লব—নিয়োগ করেন।
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
Last Update: 29-Jul-26
২০২৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট রায় প্রদান করেন। রায়ে সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদের আলোকে নিরাপদ সুপেয় পানির প্রাপ্তিকে একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং এ বিষয়ে সরকারকে একাধিক নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবর অন্তর্বর্তী সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ এবং চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার নির্বাচিত এলাকাগুলোকে পানি-সংকটাপন্ন এলাকা (Water-Critical Area) হিসেবে ঘোষণা করে। একই সঙ্গে এসব এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন ও ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
পরবর্তীতে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি হাইকোর্ট রায়ের পূর্ণাঙ্গ ১৬ পৃষ্ঠার লিখিত রায় প্রকাশ করেন, যেখানে রায়ের আইনগত ভিত্তি এবং বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা তুলে ধরা হয়।
মতামত
-
নির্বাচিত সরকার এই সুনির্দিষ্ট সংস্কার প্রস্তাবটি শুরু করেছে বলে প্রকাশ্যে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে, ২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবর অন্তর্বর্তী সরকার একটি গেজেট জারি করে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ এবং চট্টগ্রামের পটিয়ার কিছু নির্দিষ্ট এলাকাকে 'পানির তীব্র সংকটপূর্ণ এলাকা' হিসেবে ঘোষণা করে এবং ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন ও ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। পাশাপাশি, পরবর্তী সময়ে হাইকোর্ট নিরাপদ সুপেয় পানির অধিকারকে একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এই উন্নয়নগুলো প্রস্তাবটির সাথে প্রাসঙ্গিক হলেও, পর্যালোচিত তথ্য-প্রমাণ থেকে এটি নিশ্চিত হওয়া যায় না যে লবণাক্ততার প্রভাব বা নারীদের দীর্ঘ দূরত্ব থেকে পানি সংগ্রহ করার বিষয়টিকে এই এলাকা ঘোষণার সুনির্দিষ্ট ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল।
তথ্যাবলী