বছর
2026
রিফর্ম ডোমেইন
উপ-ডোমেইন
শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 10-Sep-26
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহারে এই প্রতিশ্রুতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ইশতেহারে বলা হয়েছে, “ক্লাস সিক্স থেকে দলগত কাজ, ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের উন্নয়ন (পার্সোনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট), পারিবারিক, সামাজিক ও নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষাকে আনন্দময় করে তোলা হবে।”
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 10-Sep-26
২০২৬ সালের ৮ জুন,প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা জানান, চলমান শিক্ষাক্রম সংস্কারের অংশ হিসেবে ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে একটি নতুন বিষয় হিসেবে “আনন্দময় শিক্ষা” চালু করা হবে। এই বিষয়টির উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ, দায়িত্বশীলতা, সামাজিক আচরণ এবং ব্যবহারিক জীবনদক্ষতা গড়ে তোলা। ২০২৬ সালের ২৮ জুন শিক্ষামন্ত্রী সংসদে জানান যে, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য ষষ্ঠ শ্রেণীর একটি নতুন “আনন্দময় শিক্ষা” পাঠ্যবই তৈরির কাজ শুরু করেছে। প্রস্তাবিত বইটির লক্ষ্য হলো শিক্ষাকে আরও আনন্দদায়ক, অংশগ্রহণমূলক ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক করে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, আত্মপ্রকাশের সক্ষমতা ও অন্যান্য দক্ষতা বিকাশে সহায়তা করা। ১৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জানান যে, নতুন শিক্ষাক্রমে মুখস্থনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে সমস্যা সমাধান, নেতৃত্ব, দলগত কাজ, সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
মতামত
-
সরকার ধারাবাহিকভাবে আনন্দময় শিক্ষা পদ্ধতিকে প্রাথমিক শিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করে শিক্ষা সংস্কারের বিষয়ে তাদের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা জানিয়ে আসছে। এ লক্ষ্যে বর্তমানে প্রস্তুতিমূলক কাজ চলছে, যার অংশ হিসেবে বিদ্যমান শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবইয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হবে। তবে এই অঙ্গীকার সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য আরও দুটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন— শিক্ষাদান পদ্ধতির রূপান্তর এবং শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও সক্ষমতা নিশ্চিত করা।