বছর
2026
রিফর্ম ডোমেইন
উপ-ডোমেইন
শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 10-Sep-26
এই প্রতিশ্রুতিটি বাংলাদেশের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারে বিএনপি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, “গণিত, বিজ্ঞান, তৃতীয় ভাষা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি, আইটি ও কারিগরি সহ সকল বিষয়ে মেধাবী তরুণদের শিক্ষকতা পেশায় আগ্রহী করে গড়ে তুলে বিপুল সংখ্যক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং বিদ্যমান সকল ক্যাডার ও নন-ক্যাডার শিক্ষকদের পর্যায়ক্রমে অর্থনৈতিক ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি করা হবে।”
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 10-Sep-26
২০২৬ সালের ১৭ মার্চ, উপজেলা পর্যায়ে ছয়টি খেলার প্রতিটির জন্য তিনজন করে মোট ১৮ জন ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ শুরু হয়েছে বলে জানা যায়। ২৯ মার্চ, এনটিআরসিএ এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজের শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি ই-রিকুইজিশন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে, যেখানে ৬০,২৯৫টি শিক্ষক পদ শূন্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৬ সালের ২৩ এপ্রিল, শিক্ষামন্ত্রী সংসদে জানান, সরকার সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২,৮৪২টি শূন্য সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
২০২৬ সালের ২৬ এপ্রিল, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার যোগ্য ও দক্ষ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ২৮ জুনের মধ্যে কারিগরি শিক্ষায় ২,২০৪টি শূন্য শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ চেয়ে সরকারি কর্ম কমিশনে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়। ২০২৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আরও জানান যে, আগামী এক বছরের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩০ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
Last Update: 10-Sep-26
২০২৬ সালের ৩১ আগস্ট, মন্ত্রিসভা জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুমোদন করে, যা ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা হয়। ২০২৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর, প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরাও নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় সুবিধা পাবেন।
মতামত
-
তৃতীয় ভাষা, খেলাধুলা, সংস্কৃতি, কারিগরি শিক্ষা ও প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট নতুন বিষয় চালু হলে এসব বিষয়ে বিশেষায়িত শিক্ষকের চাহিদা বাড়বে। এই চাহিদা পূরণে নতুন পদ সৃষ্টি, নিয়োগের সুস্পষ্ট মানদণ্ড, বিদ্যমান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এবং অতিরিক্ত বাজেট সহায়তার প্রয়োজন হতে পারে। শিক্ষক নিয়োগ একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া হলেও উল্লেখ্য যে, বর্তমান সরকার প্রাথমিক, মাধ্যমিক, এমপিওভুক্ত এবং কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে এবং নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করেছে। জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর ফলে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকসহ শিক্ষকদের আর্থিক সুবিধা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে নীতিনির্ধারকেরাও স্বীকার করেছেন যে, শিক্ষকদের বেতন ও পেশাগত মর্যাদা আরও উন্নত করা প্রয়োজন। তবে বিশেষায়িত শিক্ষক পদ কীভাবে সৃষ্টি ও পূরণ করা হবে, সে বিষয়ে আরও স্পষ্টতা পাওয়া গেলে এই প্রতিশ্রুতির অগ্রগতি আরও পূর্ণাঙ্গভাবে মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে।
তথ্যাবলী
- 2,842 asst. teacher posts lie vacant in secondary schools, recruitment process begins: Minister
- Govt is giving highest priority to recruit competent teachers: Bobby Hajjaj
- Govt plans free education for girls up to honours level: PM
- Govt taking steps to fill vacant posts in govt, MPO-listed colleges
- Over half of technical education teaching posts vacant: Milon
- PM’s “28 Plans in 28 Days” an unprecedented campaign: Mahdi Amin
- Separate pay scale to be announced for teachers: Milon
- Technical Brief: National Employment Injury Scheme in Bangladesh
- Technical, vocational education to expand from Class VI: Milon
- জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭
- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬