ক্রীড়া ও দেশীয় সংস্কৃতি শিক্ষা অন্তর্ভূক্তি

বছর
2026
রিফর্ম ডোমেইন
ম্যানিফেস্টো ওয়াচ ম্যানিফেস্টো ওয়াচ
শিক্ষা শিক্ষা
উপ-ডোমেইন
শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
বাস্তবায়িত
বাস্তবায়িত
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 10-Sep-26
এই প্রতিশ্রুতিটি বাংলাদেশের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারে বিএনপি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, “মননশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের ফুটবল, ক্রিকেট, সাঁতার ইত্যাদি খেলা এবং সঙ্গীত, নাটক ইত্যাদি সাংস্কৃতিক বিষয় পাঠ্যক্রমে যুক্ত করা হবে”।
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 10-Sep-26
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ১২ দফা শিক্ষা সংস্কার কর্মসূচি ঘোষণা করে, যেখানে শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এবং নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ২০২৬ সালের ২৫ মার্চ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জারি করা এক সরকারি নির্দেশনায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে (এনসিটিবি) নতুন শিক্ষাক্রমে ৭টি ক্রীড়া অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, কারাতে, ভলিবল, ব্যাডমিন্টন, অ্যাথলেটিকস এবং সাঁতার অন্তর্ভূক্ত।  এনসিটিবি কর্মকর্তারা জানান যে, ২০২৬ সালের মে মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শের ভিত্তিতে শিক্ষাক্রমের বিষয়বস্তু ও পাঠ্যপুস্তক প্রস্তুতের কাজ চলমান রয়েছে। এনসিটিবি চেয়ারম্যান আরও জানান যে, চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য “ক্রীড়া ও সংস্কৃতি” এবং ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য “আনন্দের সঙ্গে শেখা” বিষয় চালু করা হবে। ২০২৬ সালের ১১ জুন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) পাঠ্যক্রমে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি শিক্ষার অন্তর্ভূক্তির জন্য বিষয়বস্তু, পাঠ্যপুস্তক প্রস্তুতি এবং বাস্তবায়ন পরিকল্পনা নিয়ে শিক্ষক, শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে। এসব আলোচনায় ভবিষ্যতের পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষা উপকরণে সংগীত, নৃত্য, নাটক, চারুকলা এবং ক্রীড়া-সম্পর্কিত বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
Last Update: 17-Sep-26
২০২৬ সালের ৬ জুলাই বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষার্থীদের শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশের সব মাদ্রাসায় দৈনিক সমাবেশ ও ক্রীড়া কার্যক্রম বাধ্যতামূলক করেছে। অধিদপ্তরের জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে যে, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের শারীরিকভাবে সুস্থ ও উদ্যমী হিসেবে গড়ে তোলা, যাতে তারা ভবিষ্যতে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে অবদান রাখতে পারে। তবে এর পরিপ্রেক্ষিতে অন্যান্য বিভাগ বা অধিদপ্তরগুলোও আরও পদক্ষেপ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (DSHE) অফিসিয়াল আদেশ অনুযায়ী (যা ১০ সেপ্টেম্বর জারি করা হয়), দেশের সকল আঞ্চলিক ও জেলা শিক্ষা অফিসকে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার পাশাপাশি বছরব্যাপী ৩৬টি বাধ্যতামূলক কর্মসূচি পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—যার মধ্যে ১৫টি ক্রীড়া, ১৩টি সহ-শিক্ষা কার্যক্রম এবং ৮টি সাংস্কৃতিক কার্যক্রম (সংগীত, আবৃত্তি, নৃত্য, চিত্রাঙ্কন) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মতামত
    নির্বাচনী ইশতেহারের এই প্রতিশ্রুতিটি আগামী দিনগুলোতে শিক্ষা কারিকুলাম ও পাঠ্যপুস্তক সংশোধনের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি, সরকার দেশব্যাপী একটি প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি হিসেবে "নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস" চালু করেছে, যা খেলাধুলায় শিশুদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির এই বৃহত্তর লক্ষ্যকে আরও ত্বরান্বিত করবে। এই ধরণের আরেকটি অনুরূপ উদ্যোগ হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী "প্রধানমন্ত্রীর গোল্ড কাপ জাতীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬" ঘোষণা দিয়েছেন, যেখানে সারা দেশের ৪০,২৩১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ১.৬ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
Your Reviews
সাবস্ক্রাইব

শব্দকোষ

Last Updated: 14th December 2025

Loading glossary...