বছর
2025
রিফর্ম ডোমেইন
উপ-ডোমেইন
সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
শ্রম সংস্কার কমিশন রিপোর্ট
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 02-May-26
শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখিত এই সংস্কার প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 02-May-26
২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর অন্তর্বর্তী সরকার শ্রমিকদের সুরক্ষা বাড়ানো, লিঙ্গসমতা জোরদার করা এবং দেশের শ্রমমানকে আইএলওর বাধ্যবাধকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ শ্রম আইন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়া অনুমোদন করে। অনুমোদনের পর অধ্যাদেশ হিসেবে জারির জন্য খসড়াটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর কথা ছিল।
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
Last Update: 20-Jul-26
বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর অধীনে “এমপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিম” প্রতিষ্ঠার একটি বিধান প্রবর্তন করা হয়। পরবর্তীতে, বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর ধারা ১৫১ক-এর অধীনে “এমপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিম ফান্ড” নামে একটি কেন্দ্রীয় ক্ষতিপূরণ তহবিল প্রতিষ্ঠার জন্য আইনি ভিত্তি প্রদান করা হয়েছে, যা কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা ও মৃত্যুর ক্ষেত্রে সামাজিক সুরক্ষা হিসেবে কাজ করবে। তবে, মাতৃত্বকালীন সুবিধার জন্য কোনো পৃথক বা স্পষ্টভাবে নির্ধারিত সরকারি তহবিলের উল্লেখ করা হয়নি।
মতামত
-
২০২৬ সালের ২৫ মে আইএলও জানায় যে, সরকার ২০২৭ সালের জুলাইয়ের মধ্যে একটি জাতীয় কর্মসংস্থানজনিত দুর্ঘটনা বিমা স্কিম প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেছে। ২০২৬ সালের ২৪ জুন বেপজা, আইএলও ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা ইপিজেড কর্মীদের জন্য একটি স্থায়ী স্কিম প্রতিষ্ঠার রোডম্যাপ গ্রহণ করে; এ সময় বিদ্যমান পাইলট কর্মসূচির আওতায় ৪৮ জন উপকারভোগী সহায়তা পেয়েছিলেন। ২০২৬ সালের ৩০ জুন নির্বাচিত পোশাক ও চামড়া কারখানায় কাজে প্রত্যাবর্তন ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ মডিউল চালুর তথ্য জানানো হয়। তবে এসব উদ্যোগ প্রধানত কর্মক্ষেত্রে মৃত্যু, অক্ষমতা ও পুনর্বাসনকে কেন্দ্র করে এবং এখনো অসুস্থতা, অবসর, মাতৃত্বকালীন সুবিধা বা অন্যান্য প্রতিকূল পরিস্থিতি অন্তর্ভুক্ত করে সর্বজনীন সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না। মাতৃত্বকালীন সুবিধার জন্য কোনো পৃথক বা সুস্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত সরকারি তহবিল চিহ্নিত করা যায়নি।
বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর নিম্নোক্ত সংশোধনী অনুযায়ী:
১৫১ক। কর্মস্থলে দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতিপূরণ তহবিল (Employment Injury Scheme Fund)।-(১) এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সরকার বিধি দ্বারা উপযুক্ত বিবেচিত কোনো কর্মস্থলে দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতিপূরণ তহবিল (Employment Injury Scheme Fund) প্রতিষ্ঠা করিবে, এবং উক্ত বিধিতে তহবিলের ব্যবস্থাপনা বোর্ডের গঠন ও কার্যাবলি, প্রদেয় সুবিধার প্রকার ও মাত্রা নির্ধারণ, তহবিলের অর্থায়ন উৎস ও পদ্ধতি, এবং তহবিলের কার্যকর প্রশাসন ও বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়াবলি অন্তর্ভুক্ত থাকিবে।
(২) সরকার এই উদ্দেশ্যে সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা কোনো কোনো শিল্প বা খাতে এই তহবিল প্রযোজ্য হইবে তাহা নির্ধারণ করিতে পারিবে এবং এইরূপ নির্ধারণের পর কর্মস্থলে দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে ধারা ১৫০ এর আওতায় মালিকের দায়িত্ব সংক্রান্ত এই আইনের বিধানাবলি সংশ্লিষ্ট শিল্প বা খাতের মালিকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।
তথ্যাবলী
- Bangladesh Labour Law Amendment 2025
- Govt approves draft of labour law (amendment) ordinance to strengthen workers’ rights
- Labour Reform Commission
- New Milestone in Ensuring Social Protection for EPZ Workers BEPZA-ILO Reaffirm Joint Commitment to Establish a Permanent Employment Injury Scheme (EIS)
- Technical Brief: National Employment Injury Scheme in Bangladesh
- বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬
- শ্রম অধ্যাদেশ ২০২৫ গেজেট