শ্রম মন্ত্রণালয়, এর অধিভুক্ত বিভাগ ও প্রতিষ্ঠানসমূহের সক্ষমতা ও সমন্বয় জোরদার করা এবং জবাবদিহিতা, গণতান্ত্রিক চর্চা, স্বচ্ছতা ও তথ্যের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানে (শ্রম অধিদপ্তর, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, শ্রম কল্যাণ কেন্দ্র, ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশনস ইনস্টিটিউট—IRI, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা) প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কার বাস্তবায়ন করবে। View Details
রাষ্ট্র শ্রম-সম্পর্কিত নীতিমালা প্রণয়ন, বার্ষিক বাজেট এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)–২০৩০ অর্জনের প্রক্রিয়ায় নারী ও পুরুষ উভয় শ্রমিক এবং তাদের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে। সরকার জাতীয় সংসদসহ সকল প্রতিনিধিত্বমূলক প্রতিষ্ঠান ও ফোরামে সংগঠিত শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্বও নিশ্চিত করবে। View Details
রাষ্ট্র শ্রমিকদের ইতিহাস এবং ঐতিহাসিক স্থানসমূহ সংরক্ষণের উদ্যোগ নেবে এবং এ স্মরণে স্মারক ও জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করবে। পাঠ্যপুস্তক, পাঠক্রম, শিক্ষামূলক কোর্স এবং গণমাধ্যমে শ্রমিকদের মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং জীবন অভিজ্ঞতাকে সম্মানজনকভাবে তুলে ধরা হবে। View Details
রাষ্ট্র প্রবাসী শ্রমিকদের স্বীকৃতি, সংগঠিত হওয়ার অধিকার এবং প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করবে, পাশাপাশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কও শক্তিশালী করবে। View Details
রাষ্ট্র প্রবাসী শ্রমিকদের স্বীকৃতি, সংগঠিত হওয়ার অধিকার এবং প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করবে, পাশাপাশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক শক্তিশালী করবে। View Details
শ্রমিকদের সমস্যাগুলোকে অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে, এবং এই পরিপ্রেক্ষিতে,ILO-এর জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক নিরাপত্তা প্রোগ্রাম চালু করা বা একটি সামাজিক বীমা প্রকল্প চালু করার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। View Details
ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক সঙ্কট, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মহামারি বা আকস্মিক ব্যবসায়িক মন্দার সময়ও মজুরি এবং অন্যান্য সুবিধা অব্যাহতভাবে প্রদান নিশ্চিত করতে এবং উৎপাদন বজায় রাখতে একটি জরুরি ও আকস্মিক তহবিল প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পাশাপাশি, শ্রম কল্যাণ ফাউন্ডেশন এবং কেন্দ্রীয় তহবিলের স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা হবে। View Details
শ্রোতা-দর্শক ও পাঠকের গণমাধ্যম সম্পর্কে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো থেকে প্রতিবছর জরিপ পরিচালনা প্রয়োজন। View Details
গণমাধ্যম সাক্ষরতার পদ্ধতি, ফলপ্রসূকরণ, মূল্যায়ন ইত্যাদি নিয়ে আরও গবেষণালব্ধ-জ্ঞান প্রয়োজন। View Details
দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ হিসেবে বিভিন্ন স্তরের শিক্ষা কারিকুলামে গণমাধ্যম সাক্ষরতা বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হতে হবে। View Details