বছর
2025
রিফর্ম ডোমেইন
উপ-ডোমেইন
পারিবারিক আইন ও ব্যক্তি-অধিকার
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 29-Jul-26
এই সংস্কার প্রস্তাবটি নারী সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উপস্থাপিত হয়েছে, তবে এটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হয়নি।
মতামত
-
ধর্মভেদে বাংলাদেশে পৃথক পারিবারিক আইন বিদ্যমান। নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে এসব আইনের পাশাপাশি একটি ঐচ্ছিক অভিন্ন পারিবারিক আইন প্রবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা বর্তমান ধর্মভিত্তিক আইনগুলোকে প্রতিস্থাপন না করে বিকল্প আইনি কাঠামো হিসেবে কার্যকর হবে।
নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে:
ক) একটি অভিন্ন পারিবারিক আইন প্রবর্তন করা, যা বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, অভিভাবকত্ব ও উত্তরাধিকার-সংক্রান্ত সকল বিষয়ে ন্যায়বিচার ও সমতার ভিত্তিতে সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের জন্য ঐচ্ছিকভাবে প্রযোজ্য হবে।
খ) একটি বিশেষায়িত ফাস্ট ট্র্যাক সিভিল পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে একটি সম্মিলিত আইনি কাঠামোর আওতায় সকল পারিবারিক বিষয়ে বিচারকাজ পরিচালিত হবে, ধর্মভিত্তিক বৈষম্য দূর হবে এবং নারী পুরুষ সমতা আরও সুসংহত হবে।
গ) ভরণ-পোষণের ওপর একটি অভিন্ন ভরণ-পোষণ নীতিমালা তৈরি করা যা একজন ব্যক্তির সামাজিক অর্থনৈতিক অবস্থার মানদণ্ডের ওপর নির্ধারণ করা হবে। প্রতিটি ভরণ-পোষণ দেনমোহর ও অন্যান্য অর্থ মামলার ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ অর্থ জমা দিয়ে আপীল করতে পারবে।
৩.২.১.২.২ সহিংসতা-সংক্রান্ত আইন: পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০ কার্যকর করা।
ক) সুরক্ষা-আদেশের কার্যকর প্রয়োগের দুর্বলতা
সুরক্ষা-আদেশের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর প্রয়োগব্যবস্থা শক্তিশালী করা।
সুরক্ষা-আদেশ লঙ্ঘনের জন্য শাস্তি নিশ্চিত করা।
মামলাগুলোকে আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করার জন্য আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে উন্নততর প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা।
খ) ক্ষতিপূরণ ও সঠিক অধিক্ষেত্রের অভাব
সহিংসতার শিকার নারীর জন্য সময়মতো ও যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা।
২০২৩ সালের পারিবারিক আদালত আইনের ১৭(৫) ধারার অধীনে আদালতকে ম্যাজিস্ট্রেটসি ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। মামলা দায়েরের এ অধিক্ষেত্র পরিবর্তন করে পারিবারিক আদালতে আনা।
বিবাহবিচ্ছেদের ৩ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে পারবে—এমন বিধান রাখা।
প্রতিকারের সময়সীমা ও কার্যক্রম স্বচ্ছ ও গতিশীল করা।
তথ্যাবলী