কর্মস্থলে ডে-কেয়ার ও ব্রেস্টফিডিং কর্নার স্থাপন

বছর
2026
রিফর্ম ডোমেইন
ম্যানিফেস্টো ওয়াচ ম্যানিফেস্টো ওয়াচ
উপ-ডোমেইন
নারীর ক্ষমতায়ন
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কার্যকরকরণ
বাস্তবায়িত
বাস্তবায়িত
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 30-Jul-26
এই প্রতিশ্রুতিটি বাংলাদেশের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারে বিএনপি উল্লেখ করেছে যে, “কর্মক্ষেত্রে নারীদের জন্য শিশু যত্নকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি তৈরি পোশাক কারখানা, সব ধরনের শিল্পকারখানা, অফিস ও আদালতে ব্রেস্টফিডিং কর্নার স্থাপনের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে মায়েরা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে নবজাতককে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন।”
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 30-Jul-26
২০২৬ সালের ২৪ এপ্রিল মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী জানান, সরকার সারা দেশে শিশু যত্ন ও পরিচর্যা সেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে। তিনি বলেন, বর্তমানে মন্ত্রণালয় প্রাঙ্গণ ও ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ডে-কেয়ার সেন্টার চালু রয়েছে। সরকার ধাপে ধাপে এই সেবা ঢাকার বাইরে বিভাগীয় শহর এবং পরে অধিকাংশ জেলায় সম্প্রসারণ করতে চায়। তিনি আরও জানান, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার মধ্যে ঢাকা ও কয়েকটি বিভাগীয় শহরে হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের সেবা চালুর লক্ষ্য রয়েছে। ২০২৬ সালের ২৯ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে কর্মক্ষেত্রে শিশু যত্নকেন্দ্র এবং তৈরি পোশাক কারখানা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, অফিস ও আদালতে কর্মজীবী মায়েদের জন্য ব্রেস্টফিডিং কর্নার স্থাপনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
Last Update: 30-Jul-26
২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় এ বিষয়ে সরকারের সবচেয়ে স্পষ্ট নীতিগত অঙ্গীকার তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, কর্মজীবী নারীরা যেন নিশ্চিন্তে কর্মক্ষেত্রে অংশ নিতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রথম ধাপে ২০টি আধুনিক ডে-কেয়ার সেন্টার এবং পরবর্তী ধাপে আরও ৬০টি কেন্দ্র স্থাপনের বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‘৬০টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন’ প্রকল্পের জন্য ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এডিপি অনুযায়ী, প্রকল্পটি ২০২৭ সালের ৩০ জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা। ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জেন্ডার বাজেট প্রতিবেদনেও এই প্রতিশ্রুতির সরাসরি প্রতিফলন রয়েছে। ‘ডে-কেয়ার ও ব্রেস্টফিডিং কর্নার স্থাপন’ শিরোনামের অধীনে বলা হয়েছে, কর্মজীবী নারীদের জন্য শিশু যত্নকেন্দ্রসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
Your Reviews
সাবস্ক্রাইব

শব্দকোষ

Last Updated: 14th December 2025

Loading glossary...