বছর
2025
রিফর্ম ডোমেইন
উপ-ডোমেইন
প্রাতিষ্ঠানিক
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 29-Jul-26
এই সংস্কার প্রস্তাবটি নারী সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উপস্থাপিত হয়েছে, তবে এটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হয়নি।
মতামত
-
শিশু আইন, ২০১৩-এ পৃথক ও শিশুবান্ধব আদালতের বিধান থাকলেও বাস্তবে এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন দীর্ঘদিন ধরে সীমিত রয়ে গেছে। আইন মন্ত্রণালয় ও ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে কিছু জেলায় পৃথক শিশুবান্ধব আদালত প্রতিষ্ঠা করা হলেও, দেশের অধিকাংশ এলাকায় এখনো নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালকেই কার্যত “শিশু আদালত” হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনীতে নতুন “শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল” গঠনের প্রস্তাব বিশেষায়িত আদালত কাঠামোকে আরও সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দিলেও, এটি বিদ্যমান কাঠামোগত অস্পষ্টতা কতটা দূর করবে তা স্পষ্ট নয়।
আইন বিশেষজ্ঞদের একটি অংশের মতে, শিশু আইন, ২০১৩-এর ১৬ ধারাতেই একটি নীতিগত দ্বৈততা রয়েছে। একদিকে পৃথক শিশু আদালতের কথা বলা হলেও, অন্যদিকে পৃথক আদালত গঠিত না হওয়া পর্যন্ত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালকে শিশু আদালতের দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সমালোচকদের মতে, এর ফলে বিশেষায়িত শিশু আদালতের ধারণা বাস্তবে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং শিশুদের জন্য পৃথক বিচারিক পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্য আংশিকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে শিশুদের বিচার এখনো জনাকীর্ণ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালেই পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে পৃথক শুনানি কক্ষ, শিশুবান্ধব পরিবেশ, উপযুক্ত বসার ব্যবস্থা কিংবা মানসিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো অবকাঠামোগত উপাদানের ঘাটতি রয়েছে। আদালতের পরিবেশ, দীর্ঘসূত্রিতা এবং প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের সঙ্গে একই পরিসরে উপস্থিতির বিষয়গুলো নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ হয়েছে।
তথ্যাবলী