বছর
2025
রিফর্ম ডোমেইন
উপ-ডোমেইন
নীতিসংক্রান্ত
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 29-Jul-26
এই সংস্কার প্রস্তাবটি নারী সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উপস্থাপিত হয়েছে, তবে এটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হয়নি।
প্রাথমিক বাস্তবায়ন শুরু
Last Update: 29-Jul-26
২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার 'কর্মস্থল এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, ২০২৬'-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। প্রস্তাবিত এই কাঠামোটিতে শারীরিক, মৌখিক, মানসিক, ইঙ্গিতপূর্ণ ও ডিজিটাল আচরণকে অন্তর্ভুক্ত করে যৌন হয়রানির সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং এতে নারী নেতৃত্বাধীন অভিযোগ কমিটি, মৌখিক, লিখিত ও অনলাইন অভিযোগের সুযোগ, ৯০ দিনের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা, গোপনীয়তা রক্ষা, অভিযোগকারীর সুরক্ষা, মানসিক সহায়তা, ক্ষতিপূরণ এবং সতর্কীকরণ, সাময়িক বরখাস্ত ও চাকরি থেকে বরখাস্তসহ বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থার বিধান রাখা হয়েছিল। তবে, অধ্যাদেশটি রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে জারি করা হয়নি।
পরবর্তীতে, ২০২৬ সালের ১৩ এপ্রিল মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রস্তাবিত 'কর্মস্থল এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন, ২০২৬' সংক্রান্ত একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার আয়োজন করে, যা নির্দেশ করে যে এই বিস্তৃত আইনি কাঠামোটি সরকারের আনুষ্ঠানিক বিবেচনার মাধ্যমে আরও অগ্রসর হচ্ছে।
মতামত
-
২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার 'কর্মস্থল এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, ২০২৬'-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। প্রস্তাবিত এই কাঠামোটিতে শারীরিক, মৌখিক, মানসিক, ইঙ্গিতপূর্ণ ও ডিজিটাল আচরণকে অন্তর্ভুক্ত করে যৌন হয়রানির সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং এতে নারী নেতৃত্বাধীন অভিযোগ কমিটি, মৌখিক, লিখিত ও অনলাইন অভিযোগের সুযোগ, ৯০ দিনের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা, গোপনীয়তা রক্ষা, অভিযোগকারীর সুরক্ষা, মানসিক সহায়তা, ক্ষতিপূরণ এবং সতর্কীকরণ, সাময়িক বরখাস্ত ও চাকরি থেকে বরখাস্তসহ বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থার বিধান রাখা হয়েছিল।তবে, অধ্যাদেশটি রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে জারি করা হয়নি।
পরবর্তীতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ২০২৬ সালের ১৩ এপ্রিল প্রস্তাবিত 'কর্মস্থল এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন, ২০২৬' সংক্রান্ত একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার আয়োজন করে, যা নির্দেশ করে যে এই বিস্তৃত আইনি কাঠামোটি সরকারের আনুষ্ঠানিক বিবেচনাধীন রয়েছে। পরবর্তীতে, ২০২৬ সালের ২৯ জুন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী সংসদে জানান যে প্রস্তাবিত আইনটি প্রণয়নের উদ্যোগ চলছে। তবে, বিলটি চূড়ান্ত করা বা সংসদে উত্থাপনের কোনো সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি এবং সংশোধিত কাঠামোটির মাধ্যমে সমস্ত বেসরকারি সংস্থাকে গ্রহণযোগ্য আচরণ ও ভাষা নির্ধারণকারী একটি আচরণবিধি (কোড অব কন্ডাক্ট) গ্রহণ করা, অভিযোগ ও প্রতিকার ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কার্যকর করতে বাধ্য করা হবে কি না, তা কেবল খসড়া আইনটি প্রকাশ্যে আসার পরই মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে।
তথ্যাবলী