বছর
2025
রিফর্ম ডোমেইন
উপ-ডোমেইন
কর্মসূচী-সংক্রান্ত
সংস্কার প্রস্তাবের উৎস
নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন
বাস্তবায়নের অগ্রগতির ধাপ
প্রস্তাবিত সংস্কার
Last Update: 29-Jul-26
এই সংস্কার প্রস্তাবটি নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উপস্থাপিত হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহারেও এ-সংক্রান্ত সরাসরি প্রতিশ্রুতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে: “কর্মক্ষেত্রে ডে-কেয়ার ও ব্রেস্টফিডিং কর্নার স্থাপন।”
আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রণয়ন
Last Update: 29-Jul-26
২০২৬ সালের ২৯ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী জানান, কর্মজীবী মায়েদের সন্তানদের জন্য দেশে বর্তমানে ৬৪টি শিশুযত্ন কেন্দ্র (Childcare Centre) পরিচালিত হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে সুষম খাদ্য, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং বিনোদনের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে, এসব কেন্দ্রের অবস্থান, পরিচালনাগত অবস্থা, ধারণক্ষমতা বা সেবার মান সম্পর্কে কোনো সরকারি ওয়েবসাইটে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া, ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় সরকার প্রথম পর্যায়ে ২০টি আধুনিক ডে-কেয়ার সেন্টার এবং পরবর্তী পর্যায়ে আরও ৬০টি ডে-কেয়ার সেন্টার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ার কথা উল্লেখ করেছে। পাশাপাশি, অর্থবছর ২০২৬–২৭-এর বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি)-এর আওতায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের "Establishment of 60 Child Daycare Centres" শীর্ষক প্রকল্পের জন্য ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এডিপি অনুযায়ী, প্রকল্পটি ৩০ জুন ২০২৭-এর মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
মতামত
-
সারা দেশে বর্তমানে ৬৪টি ডে-কেয়ার সেন্টার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। অর্থবছর ২০২৬–২৭-এর বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি)-এর আওতায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের "Establishment of 60 Child Daycare Centres" শীর্ষক প্রকল্পের জন্য বর্তমান সরকার ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এডিপি অনুযায়ী, প্রকল্পটি ৩০ জুন ২০২৭-এর মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
অন্যদিকে, ২০২৬ সালের ২ এপ্রিল প্রকাশিত একটি সংবাদে দেখা যায়, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অধীন পরিচালিত ২০টি সরকারি শিশুযত্ন কেন্দ্রে নয় মাস ধরে বিল পরিশোধ না হওয়ায় খাদ্য সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় এবং অভিভাবকদের নিজ দায়িত্বে শিশুদের খাবার সরবরাহ করতে বলা হয়। পরে মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপে একই দিনের বিকেল থেকে খাদ্য সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানান, প্রকল্পের জন্য অর্থ বরাদ্দ থাকলেও কিছু প্রশাসনিক জটিলতার কারণে বিল পরিশোধে বিলম্ব হয়েছিল এবং বকেয়া পরিশোধের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এই ঘটনাগুলো নতুন ডে-কেয়ার সেন্টার সম্প্রসারণের পাশাপাশি অর্থায়ন, তদারকি, সেবার মান নিশ্চিতকরণ এবং ধারাবাহিক সেবা বজায় রাখার ক্ষেত্রে সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে।
তথ্যাবলী