রাষ্ট্র শিশু শ্রম, কিশোর শ্রম এবং জোরপূর্বক শ্রম নির্মূল করতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। অগ্রিম বাধ্যবাধকতাসহ অন্যান্য পদ্ধতির মাধ্যমে জোরপূর্বক শ্রমের সকল রূপ বন্ধ করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিস্তারিত দেখুন
যৌন হয়রানিসহ সকল প্রকার হয়রানি ও সহিংসতা থেকে সুরক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। ২০০৯ সালের হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী সকল কারখানা ও প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি ও সহিংসতা প্রতিরোধে নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক করতে হবে। পাশাপাশি অভিযোগ গ্রহণ সেল এবং বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটি গঠন করা অপরিহার্য। রাষ্ট্র ILO কনভেনশন ১৯০ এর অনুমোদন করবে। বিস্তারিত দেখুন
মর্যাদাপূর্ণ কর্মপরিবেশের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার জন্য রাষ্ট্রের শ্রেণি, লিঙ্গ, জাতি ও নৃগোষ্ঠীভিত্তিক অবমাননাকর ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক ভাষার ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। শ্রম আইনে “মহিলা” শব্দের পরিবর্তে “নারী” শব্দ ব্যবহার করবে। কর্মস্থলে “তুই–তুমি” ধরনের অনানুষ্ঠানিক সম্বোধনের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল থেকে শুরু করে হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগসহ সকল বিচারিক প্রতিষ্ঠানে বাংলার ব্যবহার উৎসাহিত করতে হবে। বিস্তারিত দেখুন
রাষ্ট্র শ্রমখাতের সকল ক্ষেত্রে, যার মধ্যে মজুরি, ট্রেড ইউনিয়ন, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া এবং লিঙ্গ, জাতি, ধর্ম, বর্ণ এবং গোষ্ঠীর অন্যান্য দিক সহ সমান অধিকার নিশ্চিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। পাহাড়ি ও সমতল অঞ্চলে আদিবাসী এবং বহুজাতিক শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে। বিস্তারিত দেখুন
রাষ্ট্র একটি সম্প্রীতিপূর্ণ ও সমন্বিত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে শ্রমিক, নিয়োগকর্তা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের দায়িত্বশীল আচরণকে উৎসাহিত করবে এবং সংলাপের জন্য একটি কার্যকর কাঠামো ও প্রক্রিয়া গড়ে তুলবে। বিস্তারিত দেখুন
দায়বদ্ধ শ্রম প্রশাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য একটি আইনগত সংস্থা হিসেবে স্থায়ী শ্রম কমিশন গঠন করা প্রয়োজন। স্থায়ী শ্রম কমিশন গঠনের প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে, শ্রম মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে অবিলম্বে একটি ‘জাতীয় সামাজিক সংলাপ ফোরাম’ গঠনের উদ্যোগ নিতে হবে। বিস্তারিত দেখুন
রাষ্ট্র উদ্যোগ নেবে যাতে সকল শ্রমিকের জন্য সর্বজনীন সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত হয় (কর্মস্থলে দুর্ঘটনা, মৃত্যু, অক্ষমতা, অসুস্থতা, অবসর, মাতৃত্বকালীন সুবিধা বা কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি)। বিস্তারিত দেখুন
প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনের যেসব বিধান নিয়ে সাংবাদিক, অধিকারকর্মী ও আইন বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনদের উদ্বেগ রয়েছে, তা নিরসন করতে হবে। বিস্তারিত দেখুন
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন বন্ধ, রাজনৈতিক দলগুলোকে সৎ, যোগ্য এবং ভোটারদের কাছে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী দেওয়া নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতীয় নির্বাচনে ‘না—ভোটে’র বিধান প্রবর্তন করা। নির্বাচনে না—ভোট বিজয়ী হলে সেই নির্বাচন বাতিল করা এবং পুনর্নির্বাচনের ক্ষেত্রে বাতিলকৃত নির্বাচনের কোনো প্রার্থী নতুন নির্বাচনে প্রার্থী হতে না পারার বিধান করা। বিস্তারিত দেখুন
নির্বাচনকালীন সময়ের জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সংজ্ঞায় প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করা। বিস্তারিত দেখুন