সকল নাগরিকের জন্য জীবনচক্রভিত্তিক সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষার আইন প্রণয়ন, বিশেষ করে নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, আদিবাসী ও প্রবীণদের জন্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা, যাতে মাতৃত্বকালীন সুবিধা, শিশু-সহায়তা ও বয়স্ক-সেবাসহ জেন্ডার-সংবেদনশীল সামাজিক সুরক্ষাব্যবস্থা থাকবে। View Details
বয়সের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ সমন্বিত যৌন শিক্ষা প্রদান নিশ্চিত করা। সমন্বিত যৌন শিক্ষা পাঠ্যসূচিতে বাল্যবিবাহ, যৌন হয়রানি ও জরায়ু ক্যান্সার ইত্যাদি বিষয় মেয়ে ও ছেলে-শিক্ষার্থী, উভয়ের সাথেই আলাদা করে আলোচনা করা। যৌন শিক্ষার বিষয়ে মেয়ে-শিক্ষার্থীদের নারী-শিক্ষক এবং ছেলে-শিক্ষার্থীদের পুরুষ-শিক্ষক কর্তৃক পাঠদানের ব্যবস্থা করা। এটি নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি বিদ্যালয়ে বাছাইকৃত কমপক্ষে ৪ জন শিক্ষককে যৌন শিক্ষা প্রদান-সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া, পুরুষ ও নারী শিক্ষকদের আলাদা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা এবং শিক্ষক-অভিভাবক সভায় এ বিষয়ে আলোচনা করা। View Details
শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য, ডিজিটাল সাক্ষরতা, অনলাইন ও সাইবার নিরাপত্তা, অনলাইন ও সাইবার পরিসরে সহিংসতা, অনলাইন মাধ্যম ও প্রযুক্তির দায়িত্বপূর্ণ ব্যবহার, বিভিন্ন অপ্রচলিত পেশায় (যেমন—প্রযুক্তি, গণমাধ্যম, ক্রীড়া ইত্যাদি) নারীর অংশগ্রহণ ও অবস্থান, নারী নেতৃত্বের গুরুত্ব, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশসুরক্ষা-সম্পর্কিত বিষয়সমূহ পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা। View Details
পার্বত্য এলাকা ও অন্যান্য প্রান্তিক (ভৌগোলিকভাবে দুর্গম ও প্রাকৃতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ) এলাকার কিশোরীদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনার লক্ষ্যে তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার বিধান রেখে ‘বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইন ২০২০’ সংশোধন করা। View Details
সকল পর্যায়ের ক্রীড়া কর্মকাণ্ড ও কাঠামোতে নারী-পুরুষের সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে উল্লেখ করে ‘জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন ২০১৮’ সংশোধন করা। View Details
নিবন্ধিত হতে হলে ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যবসার বোর্ড, সরকারি সংস্থা ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোকে নিজস্ব যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচিত নীতিনির্ধারণী ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৪০ শতাংশ নারী অন্তর্ভুক্ত করা। View Details
পাহাড় ও সমতলের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রথাগত স্থানীয় শাসনব্যবস্থা বলবৎ থাকবে এবং হেডম্যান বা কারবারিদের মধ্যে থেকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা। এসব প্রতিষ্ঠানে অন্তত এক-তৃতীয়াংশ নারী-প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা। View Details
সরকারি ও বেসরকারি কর্মস্থল ও আবাসস্থলে এলাকার ভিত্তিতে শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন, মানসম্মত পরিচালনা কার্যপ্রণালি নির্ধারণ, নিবন্ধন এবং মান ও নিয়ম সঙ্গত বাস্তবায়ন নজরদারি নিশ্চিত করা। View Details
সমস্ত বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের জন্য একটি আচরণবিধি প্রণয়ন, যাতে মহামান্য হাইকোর্ট নির্দেশিত যৌন হয়রানি মুক্ত গ্রহণযোগ্য আচরণ ও ভাষা স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হয় এবং এর ব্যতিক্রমী আচরণের ক্ষেত্রে অভিযোগ ও প্রতিকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়। View Details
সংশোধিত সরকারি কর্মচারী আচরণবিধিতে নারী-সহকর্মীদের প্রতি পেশাদার ও সম্মানজনক আচরণের সংজ্ঞা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা, যাতে কোন আচরণ হয়রানি, নির্যাতন বা নিপীড়ন হিসেবে গণ্য হবে, তা পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করা হয়। অনুরূপভাবে ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮’-তে, যেন ভুক্তভোগীদের জন্য প্রতিকার ব্যবস্থা ও অভিযোগ জানানোর প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট করা হয় এবং সম্ভাব্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও শাস্তিমূলক পদক্ষেপগুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে এবং এখানে দণ্ডের ভিত্তির ক্ষেত্রে কর্মস্থলে যৌন হয়রানি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। View Details