সমস্ত বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের জন্য একটি আচরণবিধি প্রণয়ন, যাতে মহামান্য হাইকোর্ট নির্দেশিত যৌন হয়রানি মুক্ত গ্রহণযোগ্য আচরণ ও ভাষা স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হয় এবং এর ব্যতিক্রমী আচরণের ক্ষেত্রে অভিযোগ ও প্রতিকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়। View Details
সংশোধিত সরকারি কর্মচারী আচরণবিধিতে নারী-সহকর্মীদের প্রতি পেশাদার ও সম্মানজনক আচরণের সংজ্ঞা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা, যাতে কোন আচরণ হয়রানি, নির্যাতন বা নিপীড়ন হিসেবে গণ্য হবে, তা পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করা হয়। অনুরূপভাবে ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮’-তে, যেন ভুক্তভোগীদের জন্য প্রতিকার ব্যবস্থা ও অভিযোগ জানানোর প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট করা হয় এবং সম্ভাব্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও শাস্তিমূলক পদক্ষেপগুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে এবং এখানে দণ্ডের ভিত্তির ক্ষেত্রে কর্মস্থলে যৌন হয়রানি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। View Details
নারী-পুরুষ সমতা সম্পর্কে সরকারের পারফরম্যান্সের সূচক সম্প্রসারণ করে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট থেকে আরও সূচক নির্ধারণ করা। পরিবীক্ষণের উদ্দেশ্যে নারী-পুরুষ সমতা ফলাফলের সূচকের একটি সংকলন সব খাতের জন্য নির্ধারণ করে জাতীয় পর্যায়ে সূচকগুলোর একটি তালিকা চিহ্নিত করে পর্যবেক্ষণ করা। View Details
অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কার্যপরিধি সংশোধন করে তাদের নীতি, পরিকল্পনা ও কর্মসূচিতে নারী-পুরুষ সমতা ও উন্নয়নের কাজ স্পষ্ট করার প্রস্তাবনা দেওয়া এবং অনুমোদনের ব্যবস্থা নেওয়া। View Details
শিশু ও নারীবান্ধব বিশেষায়িত আদালত প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে ব্যক্তিগত শুনানির স্থান এবং প্রয়োজনের ভিত্তিতে পৃথক সুবিধা থাকবে। View Details
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম দক্ষভাবে পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট কার্যপরিধি, দক্ষ মানবসম্পদ, বাজেট ও সহায়ক সেবাসহ দুটি পৃথক উইং প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গ্রহণ। View Details
বিবাহ নিবন্ধনের তথ্য-সংরক্ষণের জন্য একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল তথ্য ভাণ্ডার স্থাপন করা এবং যার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মসনদ আবশ্যক করা। নতুন বিবাহের অনুমতি দেওয়ার আগে বিদ্যমান বৈবাহিক অবস্থা যাচাই করার ব্যবস্থা (ডিজিটাল তথ্য ভাণ্ডারের সাথে সংযুক্ত) চালু করা। View Details
যেসব লবণাক্ততাপ্রবণ ও খরা-আক্রান্ত এলাকায় নারীদের পানি সংগ্রহের জন্য বহুদূর যেতে হয়, ‘পানি আইন, ২০১৩’-এর অধীনে, সেগুলোকে ‘পানি সংকটপূর্ণ’ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা উচিত, যা সরকারকে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য করবে। View Details
অনলাইন অপরাধের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা, বিশেষ করে নারীর প্রতি প্রযুক্তি-উদ্ভূত লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার ঘটনা যেসব জেলায় বেশি, সেসব জেলাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সাইবার ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বৃদ্ধি করা। View Details
পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ সংস্কার: প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ সংশোধন করে ডিজিটাল শিশু যৌন নিপীড়ন-সংক্রান্ত উপাদান ও ডিজিটাল অসম্মতিপূর্ণ পর্নোগ্রাফিকে অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা। অনলাইন ক্ষতির যথাযথ প্রতিকার নিশ্চিত করার জন্য পর্নোগ্রাফির সংজ্ঞায় ডিজিটাল পর্নোগ্রাফি, ডিজিটাল শিশু যৌন নিপীড়ন-সংক্রান্ত উপাদান এবং ডিজিটাল অসম্মতিপূর্ণ পর্নোগ্রাফির সংজ্ঞা সংযোজন করা। View Details