নারী-পুরুষ সমতা সম্পর্কে সরকারের পারফরম্যান্সের সূচক সম্প্রসারণ করে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট থেকে আরও সূচক নির্ধারণ করা। পরিবীক্ষণের উদ্দেশ্যে নারী-পুরুষ সমতা ফলাফলের সূচকের একটি সংকলন সব খাতের জন্য নির্ধারণ করে জাতীয় পর্যায়ে সূচকগুলোর একটি তালিকা চিহ্নিত করে পর্যবেক্ষণ করা। View Details
অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কার্যপরিধি সংশোধন করে তাদের নীতি, পরিকল্পনা ও কর্মসূচিতে নারী-পুরুষ সমতা ও উন্নয়নের কাজ স্পষ্ট করার প্রস্তাবনা দেওয়া এবং অনুমোদনের ব্যবস্থা নেওয়া। View Details
শিশু ও নারীবান্ধব বিশেষায়িত আদালত প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে ব্যক্তিগত শুনানির স্থান এবং প্রয়োজনের ভিত্তিতে পৃথক সুবিধা থাকবে। View Details
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম দক্ষভাবে পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট কার্যপরিধি, দক্ষ মানবসম্পদ, বাজেট ও সহায়ক সেবাসহ দুটি পৃথক উইং প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গ্রহণ। View Details
বিবাহ নিবন্ধনের তথ্য-সংরক্ষণের জন্য একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল তথ্য ভাণ্ডার স্থাপন করা এবং যার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মসনদ আবশ্যক করা। নতুন বিবাহের অনুমতি দেওয়ার আগে বিদ্যমান বৈবাহিক অবস্থা যাচাই করার ব্যবস্থা (ডিজিটাল তথ্য ভাণ্ডারের সাথে সংযুক্ত) চালু করা। View Details
যেসব লবণাক্ততাপ্রবণ ও খরা-আক্রান্ত এলাকায় নারীদের পানি সংগ্রহের জন্য বহুদূর যেতে হয়, ‘পানি আইন, ২০১৩’-এর অধীনে, সেগুলোকে ‘পানি সংকটপূর্ণ’ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা উচিত, যা সরকারকে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য করবে। View Details
অনলাইন অপরাধের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা, বিশেষ করে নারীর প্রতি প্রযুক্তি-উদ্ভূত লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার ঘটনা যেসব জেলায় বেশি, সেসব জেলাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সাইবার ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বৃদ্ধি করা। View Details
পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ সংস্কার: প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ সংশোধন করে ডিজিটাল শিশু যৌন নিপীড়ন-সংক্রান্ত উপাদান ও ডিজিটাল অসম্মতিপূর্ণ পর্নোগ্রাফিকে অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা। অনলাইন ক্ষতির যথাযথ প্রতিকার নিশ্চিত করার জন্য পর্নোগ্রাফির সংজ্ঞায় ডিজিটাল পর্নোগ্রাফি, ডিজিটাল শিশু যৌন নিপীড়ন-সংক্রান্ত উপাদান এবং ডিজিটাল অসম্মতিপূর্ণ পর্নোগ্রাফির সংজ্ঞা সংযোজন করা। View Details
কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে ২০০৯ সালের উচ্চ আদালতের (হাইকোর্ট) নির্দেশনার আলোকে যৌন হয়রানি, যৌন নিপীড়ন ও হেনস্তার সংজ্ঞা সুস্পষ্ট করে অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা। View Details
‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী আইন ২০১৮’, সরকারি কর্মচারী ছুটি ও অন্যান্য আইন ও বিধিমালা পর্যালোচনা করে এবং ২০০৯ সালের হাইকোর্টের নির্দেশ ও আন্তর্জাতিক নীতিমালার আলোকে নারী-পুরুষ সমতা, বৈষম্য নিরসন, যৌন হয়রানি প্রতিরোধ, মাতৃত্বকালীন ও পিতৃত্বকালীন ছুটি প্রভৃতি বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ধারা পরিবর্তন বা অন্তর্ভুক্ত করে অনুমোদন ও বাস্তবায়ন করা। View Details